কার্বাইডে পাকানো অপরিপক্ব আম

আপডেট : ২২ মে ২০১৯, ২২:২২

অপরিপক্ক আম কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বাজারে দেদারসে বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। গতকাল বুধবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ফলের আড়তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ মণ কার্বাইড দিয়ে পাকানো আম জব্দ করেছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় নয়টি ফলের আড়তকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে ছিলেন বিএসটিআই ও কৃষি অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা।

র্যাব বলছে, ল্যাংড়া আম জুন মাসে এবং হিমসাগর আম চলতি মাসের শেষে বাগান থেকে পাড়ার কথা। জব্দকৃত আম সিটি করপোরেশনের গাড়ি দিয়ে ধ্বংস করা হয়। এর আগে রাজধানীর ফল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে র্যাবের এক বৈঠক হয়। সেখানে ফল ব্যবসায়ীরা প্রতিশ্রুতি দেন নির্দিষ্ট সময়ের আগে অপরিপক্ক আম তারা বাজারে তুলবে না। তবে প্রতিশ্রুতির পরও বেশি মুনাফার লোভে বাজারে আম বিক্রি করতে শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।

গতকাল সকালে বিভিন্ন আড়তে অভিযান চলার খবর টের পেয়ে অনেক ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যান। এ সময় নয়টি আড়তে অভিযান চালায় র্যাবের অভিযানিক দল। এ সময় আমে কেমিক্যাল মেশানোর অভিযোগে মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের নন্দন সরকারকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, মেসার্স সাদ্দাম ট্রেডার্সের সাদ্দাম হোসেনকে ৪ লাখ, নাঙ্গলকোর্ট বাণিজ্যালয়ের ইয়াসিন মজুমদারকে ৪ লাখ টাকা, শাহ চন্দ্রপুরী সবজি ভাণ্ডারের লিটনকে ১ লাখ টাকা, নান্নু এন্টারপ্রাইজের জামাল খানকে ৩ লাখ টাকা, বন্ধু বাণিজ্যালয়ের দুদু মিয়াকে ২ লাখ টাকা, মাদারিপুর বাণিজ্যালয়ের চাঁন মিয়াকে ২ লাখ টাকা, সজীব ট্রেডার্সের মিলনকে ৩ লাখ টাকা এবং সাবিহা বাণিজ্যালয়ের হাসান মাহমুদকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, রাজশাহীর বাগান থেকে হিমসাগর আম পাড়ার কথা আগামী ২৮ মে। এরপর তা ঢাকায় আনার কথা। এছাড়া সাতক্ষীরার ল্যাংড়া ৬ জুনের পর বাজারে আসার কথা। কিন্তু এই হিমসাগর ও ল্যাংড়া আম এখনই ঢাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

অভিযানে র্যাবের সঙ্গে ছিলেন কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া ও বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধিরা।