পাবনার সাঁথিয়ায় বিবাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) ও ইউপি সদস্যের সহায়তায় ভুয়া স্ত্রী সাজিয়ে স্বামীকে তালাক। তালাক নামা পেয়ে স্ত্রী দিশেহারা। কাজী, ইউপি সদস্য ও স্বামীর বিরুদ্ধে বিচার প্রার্থী হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সালমা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের শিতল শেখের মেয়ে সালমার (২২) সাথে তিন বছর পূর্বে বিয়ে হয় পাবনার জালালপুরের কালু মোল্লার ছেলে রবিউল মোল্লা (৩০)। বিয়ের পর থেকেই রবিউল যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত এক সন্তানের জননী সালমা খাতুনকে। অবশেষে যৌতুক না পেয়ে কাশিনাথপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শহিদ ও একই ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) ইসমাইল হোসেন কিরনের সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রবিউল স্থানীয় এক মেয়েকে ভুয়া স্ত্রী (সালমা) সাজিয়ে তার কাছ থেকে তালাকনামায় টিপসহি নেন। তালাকনামায় সনাক্তকারী হিসেবে ফয়েজ উদ্দিন ও সিদ্দিক আলীর স্বাক্ষর থাকলেও তারা এব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে জানান। কিছুদিন পর নকল তালাকনামাটি হাতে পেয়ে হতভম্ব হয়ে পড়ে সালমা। বিয়ের সময় সালমা স্বাক্ষর করলেও তালাকনামায় ভুয়া স্ত্রী টিপসহি দেন। তালাকনামা পাওয়ার পর থেকেই স্বামী রবিউল পলাতক রয়েছে। এদিকে স্বামী-সংসার ফিরে পেতে এক মাত্র ছেলে সন্তান নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সালমা।
