পাকা ধানে আগুন দেওয়ার কারণ খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আপডেট : ২২ মে ২০১৯, ২২:৪৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্থানে পাকা ধানের খেতে আগুন দেওয়ার কারণ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাসের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান। এ সময় তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন স্থানে ধান খেতে আগুন দেওয়ার কারণ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাগুলো স্যাবোটাজ কিনা, কোনোভাবে এটা সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে কেউ করছে কিনা, ঘটনাগুলো বিশেষ বিশেষ জায়গায় ঘটছে কেন, এটা তদন্ত করে তিনি জানাতে বলেছেন। তিনি বলেন, একটা সমস্যা হয়েছে, আগুন জ্বালিয়ে, ধান পুড়িয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না। সরকার কখনো চাইবে না আমাদের কৃষির মেরুদণ্ড যে কৃষক, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হোক। শেখ হাসিনার সরকার এ ব্যাপারে আন্তরিক। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ভারতের জনগণ যে দল বা জোটকে নির্বাচিত করবে তাদের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের (স্টেট টু স্টেট) এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের। তাই ভারতের জনগণ যাদের নির্বাচিত করবে সেই জোট বা দলের সঙ্গে আমরা কাজ করব।’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রিভা গাঙ্গুলী দাসের সঙ্গে আমার আজকের সাক্ষাত্ অনেকটাই সৌজন্য। ভারতের সঙ্গে আমাদের বেশকিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। আরো নতুন প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কানেকটিভিটির বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ সব বিষয় নিয়েই রিভা গাঙ্গুলীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আখাউড়া-কিশোরগঞ্জ, আখাউড়া থেকে ময়নামতি পর্যন্ত ফোরলেন ও ফেনী নদীর ও সেতু নির্মাণ বন্ধুপ্রতিম দেশ দুটির মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভারতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, দেশ দুটির মধ্যে যেসব অমীমাংসিত সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য সহযোগিতা আশা করি। তিনি বলেন, যেভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল হস্তান্তর হয়েছে, সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি বন্টন সমস্যার সমাধানও সেভাবেই হবে।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আইনগত দিক থেকে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা, তা নির্বাচন কমিশন দেখবে। এ ব্যাপারে সরকারের কিছু বলার বা করার নেই।

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ভারতের জনগণ যে দল বা জোটকে নির্বাচিত করবে তাদের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের (স্টেট টু স্টেট) এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের। তাই ভারতের জনগণ যাদের নির্বাচিত করবে সেই জোট বা দলের সঙ্গে আমরা কাজ করব।’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রিভা গাঙ্গুলী দাসের সঙ্গে আমার আজকের সাক্ষাত্ অনেকটাই সৌজন্য। ভারতের সঙ্গে আমাদের বেশকিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। আরো নতুন প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কানেকটিভিটির বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ সব বিষয় নিয়েই রিভা গাঙ্গুলীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আখাউড়া-কিশোরগঞ্জ, আখাউড়া থেকে ময়নামতি পর্যন্ত ফোরলেন ও ফেনী নদীর ও সেতু নির্মাণ বন্ধুপ্রতিম দেশ দুটির মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভারতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, দেশ দুটির মধ্যে যেসব অমীমাংসিত সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য সহযোগিতা আশা করি। তিনি বলেন, যেভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল হস্তান্তর হয়েছে, সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি বন্টন সমস্যার সমাধানও সেভাবেই হবে।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আইনগত দিক থেকে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা, তা নির্বাচন কমিশন দেখবে। এ ব্যাপারে সরকারের কিছু বলার বা করার নেই।