যেমন দেখতে চাই বাংলাদেশকে

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০১৪, ২১:৫০
মার্চ মাস। বীর বাঙালির গৌরব আর স্বাধীনতার মাস। এ স্বাধীনতার গভীর চেতনা মিশে আছে জীবনের প্রতিটি পরতে। আত্মশক্তি ও আত্মপ্রত্যয়ের প্রতীক এ স্বাধীনতা। স্বাধীনতার ৪৩ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত স্বাধীনতা যেন অধরাই রয়ে গেছে। স্বাধীনতার পরপরই দেশের মানুষ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পেয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার চার দশক পেরিয়ে গেলেও তারা প্রকৃত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সুফল ভোগ করতে পারেনি। নিশ্চিত হয়নি সবার মৌলিক অধিকার। রাজনীতিবিদরা দেশের মানুষকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা উপহার দিতে পারেননি। গণতন্ত্রের নামে নোংরা রাজনীতির খেলা ও ক্ষমতার দাপট গণতন্ত্রকে করেছে কলঙ্কিত। রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা ও অন্তর্দ্বন্দ্ব দেশের ভাবমূর্তিকে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় আমরা শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্রকে প্রায়োগিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারিনি, যা উন্নয়নের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো শাসনব্যবস্থার স্থিতিশীলতা। আর স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থার জন্য চাই জবাবদিহিমূলক সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা। বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি অপার সম্ভাবনাময় দেশ। অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই সম্ভাবনাময় দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে প্রযোজন সুষ্ঠু শাসনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা। স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আমরা দেশের এ সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অবৈধ নিয়োগ-বাণিজ্য, দলীয়করণ-স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি থেকে আমরা মুক্তি পেতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে থাকবে না রাজনৈতিক সহিংসতা ও অস্থিরতা। শিক্ষাঙ্গনে থাকবে না সন্ত্রাসের রাজত্ব, কলহ, মারামারি, দলীয়করণ; থাকবে না লেজুড়বৃত্তির নোংরা রাজনীতি। আমরা আগামীর বাংলাদেশকে দেখতে চাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল; যেখানে থাকবে না ঘুষ, দুনীর্তি, শেয়ারবাজার লুটতরাজ, ব্যাংক লুট, হলমার্ক-ডেসটিনি কেলেঙ্কারি, যেখানে থাকবে না ক্ষুধা দারিদ্র্য ও বেকারত্বের অভিশাপ। আগামীর বাংলাদেশকে দেখতে চাই প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়