ইতিহাস গড়া হল না ডাচদের

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৪, ২৩:০৭
ফন ডার গাগটেনের উইকেট পড়ার পর বিশ্বজয়ের যে আনন্দটা করলো দক্ষিণ আফ্রিকানরা, তাতেই আসলে ম্যাচের চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে ওঠে। নেদারল্যান্ড ইনিংসের শেষের দিকটা বাদ দিলে গোটা ম্যাচে কখনই জয়ের ধারে কাছে ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শেষ পর্যন্ত সেই প্রোটিয়ারাই জয়ী। ১৯তম ওভারের চতুর্থ বলে নেদারল্যান্ডের শেষ উইকেটটা যখন পড়লো তখন ইতিহাস গড়ার থেকে মাত্র ছয় রান দূরে ছিল কমলা জার্সিধারীরা। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ঝড় তোলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনার হাশিম আমলা। তিনি ২২ বলে ৪৩ রান করে আউট হয়ে যাওয়ার পরই মোড় ঘুড়ে যায় ম্যাচের। বলা ভাল, মোড় ঘুড়িয়ে দেন ডাচ পেসার আহসান মালিক। তার ১৯ রান দিয়ে নেয়া পাঁচ উইকেটের সুবাদে ছয় ওভারে দুই উইকেটে ৪৬ রান থেকে নির্ধারিত ২০ ওভারে নয় উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা করলো মাত্র ১৪৫ রান। বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকানরা মুখিয়ে ছিলেন ডেল স্টেইনের দিকে। আগের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রায় অসম্ভব এক অবস্থা থেকে জয় এনে দেয়া এই বোলার প্রথম ওভারটায় ছিলেন নিষ্প্রাণ। আর এই সুযোগে মাত্র ৫.৪ ওভারের মধ্যে ৫৮ রানের জুটিও গড়ে ফেলেছিল নেদারল্যান্ডস। ধারাবাহিক রানের মধ্যে থাকা স্টিফেন মাইবার্গ গতকালও ছিলেন রানের মধ্যেই। দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত এই খেলোয়াড় স্বদেশের বিপক্ষে খেলতে নেমে গতকালও করেছেন ২৫ বলে ৫১ রান। তখন অবধি ম্যাচটা পুরোপুরি নেদারল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরপরই একের পর এক আত্মহত্যার মিছিলে ধুলিস্যাত্ হতে থাকলো ডাচদের স্বপ্ন। ইমরান তাহির আর ডেল স্টেইনের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ছয় রান আগেই থেমে যেতে হল ডাচদের! ইতিহাসটা অসম্পূর্ণই থাকলো এবার!