স্বপ্ন যখন প্রকৌশলী হওয়া

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৪, ২০:২৪
সদ্য অনুষ্ঠিত হলো মাধ্যমিক বা এসএসসি পরীক্ষা। আর প্রকাশিত হয়েছে ইংলিশ মিডিয়ামের পরীক্ষার ফল। এই সময় অভিভাবকরা চিন্তিত হয়ে পড়েন কোথায় তার সন্তানদের ভর্তি করাবেন। শুরু হয় ভর্তিযুদ্ধ। আর তাই এখন এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো যেটি প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করিয়ে থাকে। বাংলাদেশের সর্বসমাদৃত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাবোর্ড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে অনুমোদিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজি। প্রতিষ্ঠানটি মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে সুনাম অর্জন করে নিতে পেরেছে। এখান থেকে পড়াশোনা করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্বনামধন্য কোম্পানিতে ও আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানির বিশ্বখ্যাত ইউনির্ভাসিটিগুলোতে স্কলারশিপে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করছে। এই কলেজে এসএসসি বা ‘ও’ লেভেল পাসের পর মাত্র চার বছরে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অনার্স ডিগ্রি অর্জন করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে এসএসসি বা ‘ও’ লেভেল পাসের পর করতে হবে ১৮ মাসের লেভেল থ্রি অর্থাত্ এনডি; এরপর আরো আঠারো মাসের লেভেল ফাইভ অর্থাত্ এইচএনডি; এরপর চতুর্থ বছর টপ আপ বিবিএ অথবা বিএসসি। এই কলেজে লেখাপড়া করা ঢাকার ছেলে সেলিম জানান, ‘মাস্টারমাইন্ড থেকে ‘ও’ লেভেল পাস করে এখানে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ভর্তি হই। কলেজটির শিক্ষার পরিবেশ খুবই সুন্দর। বর্তমানে আমি আয়ারল্যান্ডের শ্যানন এয়ারপোর্টে শ্যানন অ্যারোস্পেস লিমিটেডে চাকরি করছি। এটা আমার জীবনের জন্য অসাধারণ অভিজ্ঞতা যে, আমি বিশ্বখ্যাত এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স প্রতিষ্ঠান শ্যানন অ্যারাস্পেসে সম্পৃক্ত রয়েছি।’ আরেকজন শিক্ষার্থী বশির আহমেদ জানান, ‘এসএসসি পাসের পর ক্যারিয়ার গড়া নিয়ে ভাবনায় পড়ে গিয়েছিলাম। এ বিষয়ে আমার অভিভাবকদেরও দুশ্চিন্তারও কমতি ছিল না। হরেক বিষয়ের মধ্যে কোন বিষয়ে পড়ব, কোথায় পড়ব, পাস করে পেশা গড়তে পারব কি না অথবা সার্টিফিকেটের মান কেমন হবে—এমন হাজারো প্রশ্ন লেগেই ছিল মনের ভেতর। এরপর বহু চিন্তাভাবনা করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় নিয়ে পড়ালেখা করতে এই কলেজে ভর্তি হলাম। ফোনে (৮৯৯১৩৭১) তাদের সাথে যোগাযো করেছিলাম। এরপর ভর্তি হওয়ার জন্য তাদের প্রধান ক্যাম্পাস উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোডের চৌদ্দ নম্বর প্লটে যাই। আর এই সিদ্ধান্ত আমার জীবনধারা বদলে দিয়েছে।’ মুন্সিগঞ্জের ছেলে সুজিত সূত্রধর বলেন, ‘ছোটবেলায় বহু খেলনা উড়োজাহাজ বানিয়েছি। কখনও খেলনা অ্যারোপ্লেন কিনে সারা দিন তা নিয়ে সময় কাটিয়েছি। বড় হয়েও যেন এই পেশায় সম্পৃক্ত হতে পারি এই আমার স্বপ্ন ছিল। এসএসসি পাস করার পর কলেজটিতে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হই। এখন শ্যানন অ্যারোস্পেসে প্রতিদিন বোয়িং, এয়ারবাস নিয়ে কাজ করছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’