রাজ্জাকের জবাব

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০১৪, ২২:২৭
বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, সেরা ফর্মে ফিরবেন শিঘ্রই। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২০ রান দিয়ে নেয়া দুটি উইকেট সেই ফিরে আসার আভাসই দিচ্ছিল। কিন্তু, ফেরাটা হয়ে রইলো কেবল এক ম্যাচের জন্য। হংকংয়ের বিপক্ষে যাচ্ছেতাই বোলিংয়ের পর আব্দুর রাজ্জাকের বাদ পড়াটা তাই নিশ্চিত ছিল। সুপার টেনের দুই ম্যাচেই হারের পর আবারও ডাক পরলো বাম হাতি এই অফ স্পিনারের। নিজের ফেরাটা স্মরণীয় করে রাখলেন ঠিকই; তবে, তাতেও বদলালো না বাংলাদেশের ভাগ্য! পঞ্চম ওভারে প্রথম আক্রমণে এসে তৃতীয় বলেই ফিরিয়ে দিলেন কামরান আকমলকে। যদিও উইকেটটির পিছনে জিয়াউর রহমানের ভূমিকাটাও কম নয়। শর্ট ফাইন লেগে অসাধারণ এক ক্যাচে ভাংলো ৪৩ রানের উদ্বোধনী জুটি। নবম ওভারে ফ্লাইটে বিভ্রান্ত করে ফিরিয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজকে। চার ওভার বোলিং করে রান দিয়েছেন মোট ২০ রান। সাথে দুটি উইকেট মিলিয়ে কিছুটা ছন্দে ফেরার আভাসই দিলেন রাজ্জাক। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ছিলেন না ইনজুরির জন্য। একই কারণে ছিলেন না শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও। এরপর ফিরলেন এশিয়া কাপ দিয়েই। ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেই কেমন যেন বদলে গেলেন আব্দুর রাজ্জাক। আর সেই বদলানোটা অবশ্যই নেতিবাচক। ক্রমাগত ব্যর্থতায় দলে তার জায়গা নিয়েও উঠলো প্রশ্ন। সেই প্রশ্নের হালকা একটা জবাব আসলো গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। কিছুক্ষণের জন্য আবারো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলারদের তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠেছিলেন। কিন্তু পরে সাকিব আল হাসান সোয়েব মালিককে ফিরিয়ে দিয়ে চলে এসেছেন সমতায়। দুজন স্পিনারই পেয়েছেন সমান ৪৪টি উইকেট। সাকিব খেলেছেন ৩৪টি ম্যাচ। রাজ্জাক তার চেয়ে দুটি ম্যাচ কম খেলেছেন। দিনে দুজন নিয়েছেন তিনটি উইকেট। আট ওভারে রান দিয়েছেন মাত্র ৪১। এতোকিছুর পরও ১৯০ রানের পাহাড় গড়লো পাকিস্তান। সেঞ্চুরি করে ফেললেন ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। দায়টা দলের বাকি বোলারদেরই নিতে হবে! টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী খেলোয়াড় উইকেট ম্যাচ সেরা সাকিব আল হাসান ৪৪ ৩৪ ৪/২১ আব্দুর রাজ্জাক ৪৪ ৩২ ৪/১৬ মাশরাফি বিন মুর্তজা ২৮ ২৬ ৪/১৯ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৩২ ১৫ ২/১৩ আল আমিন ১০ ০৭ ৩/২১