চকরিয়ায় সরকারি বালুমহালে লুটের মহোত্সব

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১৯
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার একাধিক স্পটে চলছে বালু লুটের মহোত্সব। জেলা প্রশাসনের প্রায় দশটি বালু মহাল উচ্চ আদালতে রিট মামলা করে গত তিন বছর ধরে প্রভাবশালীরা জবরদখলে নিয়ে চালাচ্ছে বালু লুটের এ প্রতিযোগিতা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন ১৪টি বালু মহাল রয়েছে। প্রতিবছর এসব বালুমহাল ইজারা দিয়ে সরকার প্রায় ৫০ লাখ টাকার কাছাকাছি রাজস্ব আয় করেন। কিন্তু উচ্চ আদালতে একটি প্রভাবশালী মহলের দায়ের করা রিট মামলার কারণে জেলা প্রশাসন বিগত তিন বছর ধরে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নে তিনটি, ডুলাহাজারা ইউনিয়নে দুটি, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে দুটি ও হারবাং ইউনিয়নের তিনটিসহ ১০টি বালুমহাল ইজারা দিতে পারেনি। ফলে এসব বালুমহাল থেকে সরকার প্রতিবছর ৩৩ লাখ টাকা করে প্রায় এক কোটি টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, খুটাখালীর পাহাড়ি ছড়া থেকে দেদারছে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উচ্চ আদালত এসব বালুমহাল থেকে বালি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও জড়িতরা তা মানছেন না। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের ছত্রচ্ছায়ায় প্রভাবশালীদের নিয়োজিত লোকজন এসব পয়েন্ট থেকে বালি উত্তোলন করে দিব্যি ব্যবসা চালিয়ে আসছে। ভূমি কর্মকর্তারা জানান, বালুমহালগুলো যাতে জেলা প্রশাসন ইজারা দিতে না পারে সেই জন্য তিন বছর আগে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি কৌশলে উচ্চ আদালতে রিট মামলা দায়ের করেন। মূলত এ রিট মামলার কারণে প্রশাসন বালু মহাল নিয়ম অনুযায়ী ইজারা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।