সবুজের মুগ্ধতায় সমাপ্ত বিশ্বকাপের সিলেট পর্ব

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৪, ২২:২৬
দেশ-বিদেশে সবুজে ঢাকা সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামের মুগ্ধতা ছড়িয়ে শেষ হলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সিলেট পর্ব। ছেলেদের বিশ্বকাপের প্রথম পর্বের কয়েকটি ম্যাচ এবং মেয়েদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগ পর্যন্ত সবগুলো খেলা দৃশ্যত সাফল্যেই শেষ করলো সিলেটের নবনির্মিত এই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যুটি। সিলেটে এই প্রথম আয়োজিত হলো বিশ্বকাপ ক্রিকেটের খেলা। নতুন মাঠ, প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলা সব মিলে দারুণ উন্মাদনায় গত প্রায় পক্ষকাল বুঁদ হয়ে ছিলেন সিলেটবাসী। ছেলেদের খেলার পাশাপাশি মেয়েদের খেলাগুলো দেখতেও দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ দিনের খেলায়ও দর্শকরা আনন্দ-উদ্দীপনায় মাতিয়ে রেখেছিলেন গ্যালারি। ফ্লাড লাইটের কিছু বিড়ম্বনা বাদ দিলে আসরটি আয়োজনে সিলেট সফল বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। চা বাগান, উঁচু-নীচু টিলা ঘেরা সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো সবুজ গ্যালারি। প্রকৃতির এই রূপ খোদ আইসিসি প্রেসিডেন্ট অ্যালান আইজ্যাক থেকে শুরু করে দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়, দর্শক, কর্মকর্তা, সাংবাদিক সকলকেই মুগ্ধ করেছে। গত বুধবার আইসিসি প্রেসিডেন্ট স্টেডিয়ামটি পরিদর্শন করে মত দেন, চমত্কার মাঠ। প্রচুর দর্শক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য মাঠ খুবই উপযোগী। গত ১৭ মার্চ জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে সিলেটে বিশ্বকাপ পর্বের সূচনা হয়েছিল। ছেলেদের বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে এই দুই দল ছাড়াও নেদারল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাত খেলেছে এখানে। ছেলেদের ম্যাচে প্রতিদিনই গ্যালারি ভর্তি দর্শক ছিল। এরপর মহিলা বিশ্বকাপেও সিলেটবাসীর ক্রিকেট উন্মাদনায় কোন টান পড়েনি। অবশ্য সিলেটবাসীর মনে ‘বিগ ম্যাচ’ না পাওয়ার অতৃপ্তি রয়েছে। তারপরও যেটুকু হয়েছে তাতেই সন্তুষ্ট তারা। বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিলেটে যে ক্রিকেট উন্মাদনা শুরু হয় কাল দিনের প্রথম খেলায় পাকিস্তান ও শ্রীলংকা এবং শেষ খেলায় বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড মহিলা দলের লড়াই দিয়ে এর সমাপ্তি হলো। তবে বিসিবির প্রতি সিলেটবাসীর দাবি সুন্দর এই ভেন্যুটিকে যেন সত্যিকারের আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে সংরক্ষণ করে ভবিষ্যতে বেশি বেশি ম্যাচ আয়োজন করা হয়।