তরুণদের ফ্যাশনের অন্যতম একটি অনুষঙ্গ হচ্ছে সানগ্লাস। একজন তরুণ ঘর থেকে বের হয়েছে অথচ সানগ্লাস নেয়নি, তা এখন চিন্তাও করা যায় না। একটি সানগ্লাস যে একজনের শুধু সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় তা কিন্তু না, রাস্তাঘাটের ধুলাবালি থেকে চোখকে সুরক্ষিত রাখে বহুগুণ। যদিও চোখের সুরক্ষার চেয়ে অনেকের কাছে ফ্যাশনটাই বড় কথা। তাই এবার সানগ্লাসের রকমফের নিয়ে কিছু কথা।
ঋতুর পরিবর্তনের সাথে সাথে তরুণদের পোশাক-আশাকেরও পরিবর্তন ঘটে। ফ্যাশনসচেতন তরুণরা বিভিন্ন ঋতুতে হাল ফ্যাশনের পোশাক যেমন ব্যবহার করে, তেমনি ব্যবহারিক অন্যান্য জিনিসপত্রেও নিয়ে আসে হাল ফ্যাশনের ছোঁয়া। তেমনি আরেকটি ফ্যাশনেবল ব্যবহারিক জিনিস হচ্ছে সানগ্লাস। বর্তমানে শীতে সারারাত কুয়াশা পড়ে বায়ুমণ্ডলের সব ধুলোময়লা পরিষ্কার হয়ে নিচে নেমে আসে ফলে সকাল থেকে দুপুরের পর পর্যন্ত রোদের আলো থাকে বেশ তীক্ষ, তা ছাড়া শীতে বিভিন্ন ছোট ছোট পোকামাকড়ের আবির্ভাব ঘটে। ফলে খালি চোখে পথ চলতে গেলে এসব পোকামাকড় চোখে ঢুকে পড়ে বিপত্তি ঘটায়। তরুণদের যারা মটরসাইকেল ব্যবহার করেন তাদের সানগ্লাস ব্যবহার করা সবচেয়ে জরুরি। এসব কারণ ছাড়াও শুধু ফ্যাশনের কারণে তরুণদের কাছে সানগ্লাসের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এজন্য বাজারের চশমার দোকানগুলোয় পাওয়া যায় হাজার রকমের ডিজাইন করা বাহারি সব সানগ্লাস। চশমার সব শো-রুমে এখন যেসব চমত্কার ডিজাইনের ফ্রেম পাওয়া যায় তা দেখে রীতিমতো লটারি করে পছন্দ করেও শেষ করা যাবে না। ইদানীং অবশ্য একটু পুরনো আদলের ডিজাইনগুলো নতুনভাবে ঘুরেফিরে এসেছে।
যেখানে পাবেন
নাম করা ব্র্যান্ডের দামি সানগ্লাস থেকে শুরু করে বর্তমানে কমদামেও অখ্যাত ব্র্যান্ডের সানগ্লাস বাজারে পাওয়া যায়। এখন কথা হচ্ছে এসব সানগ্লাস বা চশমার ফ্রেমগুলো সহজেই কোথায় পাওয়া যাবে। কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়াই যে জায়গাটার নাম মনে আসবে তা হলো এলিফেন্ট রোড। এখানে আপনি ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকা দামের সানগ্লাস পেতে পারেন। অনেকে আবার সোজা বসুন্ধরায়ও চলে যেতে পারেন। তবে তখন টাকা একটু বেশিই গুনতে হবে। আরও বেশকিছু জায়গায়
যাওয়ার আগে নিউমার্কেট ও গাউছিয়া একটু দেখে
যাবেন।
