মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার ‘বাস্তবতা’ পরীক্ষার আহ্বান জন কেরির

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৪৭
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, এটা সময় হলো আলোচনায় একটি গভীর সংকটের মধ্যে ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় ‘বাস্তবতা পরীক্ষা’ করা। উল্লেখ্য, ইসরাইল ও ফিলিস্তিন পরস্পরের বিরুদ্ধে পূর্বের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ করেছে। গত কয়েক দিনে উভয় দেশের এমন কিছু পদক্ষেপের পর কেরি গত বৃহস্পতিবার একথা বলেন। ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের সঙ্গে সমঝোতার জন্য কেরি তার কূটনীতির অংশ হিসেবে গত কয়েক সপ্তাহে একবার সামনে একবার পেছনে আসা-যাওয়া করছেন। ওয়াশিংটন দুই পক্ষের নেয়া সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে ‘অসহযোগিতাপূর্ণ, একতরফা কাজ’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। মরক্কোয় রাজধানী রাবাত সফরে কেরি বলেন, এটা সময় হয়েছে বিরতির এবং প্রক্রিয়াটি কোথায় যাচ্ছে তা বিবেচনা করার। তিনি বলেন, পক্ষগুলোকে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টার ওপর ওয়াশিংটন কতটুকু সময় ব্যয় করবে তার কিছু ‘সীমারেখা’ আছে। কেরি আরো বলেন, ‘এটা কোনো উন্মুক্তসীমা প্রচেষ্টা নয়, কখনো তা ছিল না। এটা সময় বাস্তবতা পরীক্ষা করার এবং আমরা মনস্থির করেছি পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী হবে তা সঠিকভাবে মূল্যায়নের।’ তিন বছর বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় গত বছরের জুলাইয়ে শুরু হওয়া শান্তি আলোচনাটি ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের পরস্পর বিরোধী অভিযোগের ফলে ভেঙ্গে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। চতুর্থ দফায় ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলি-আরব বন্দিদের মুক্তি দেয়ার যে শর্তে ফিলিস্তিন গত বছর শান্তি আলোচনায় রাজি হয়েছিল ইসরাইল তা অনুমোদন না দেয়ায় ফিলিস্তিনিরা ক্রুদ্ধ হয়ে উঠেছে। অপরদিকে, ইসরাইল বলছে, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদস্য পদ চেয়ে ফিলিস্তিন তার অঙ্গীকার অমান্য করেছে। ইসরাইলের মন্ত্রিসভা আরো জানিয়েছে, তারা বন্দিমুক্তির নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখবে যদি না ফিলিস্তিন আলোচনার সময়সীমা ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়াতে রাজি হয়। উল্লেখ্য, ঐ তারিখে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানের আশাবাদ জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।