অচিরেই হকিতে নীল টার্ফ

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৪, ২২:৩৫
আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের হকি খেলোয়াড়রা নীল টার্ফে খেলতে পারবেন। জুনে হকি স্টেডিয়ামে নতুন টার্ফ স্থাপনের কাজ শুরু হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন বাংলাদেশে এ টার্ফটি স্থাপনের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আন্তর্জাতিক হকি সংস্থার নির্দেশেই বাংলাদেশে হকি টার্ফের রং বদলে যাচ্ছে। হকিকে আরো জনপ্রিয় করে তোলার জন্যই টার্ফের রং পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশে টার্ফ পাঠানোর ব্যাপারে এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন ঢাকায় যোগাযোগ করছে। কিভাবে টার্ফ পাঠানো হবে তা নিয়েও কথা হচ্ছে নিয়মিত। হকি ফেডারেশন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে কর মুক্ত টার্ফ ছাড়িয়ে আনার জন্য কথা বলেছে। এ বছরের জুনে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ হকি এবং ব্রাজিলে রিও অলিম্পিক গেমসের হকিও নীল রংয়ের টার্ফে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশেকে সে ধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নীল রংয়ের টার্ফে খেলার প্রর্বতন শুরু হয়েছিল ২০১২ লন্ডন অলিম্পিক গেমসে। সেই থেকে হকির উন্নত দেশগুলোতে নীল টার্ফের দিকে ঝুকছে হকি দেশগুলো। এ বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা প্রথমবারের মতো নীল টার্ফে খেলেছেন। বাংলাদেশে নীল রংয়ের নতুন টার্ফের দাম পড়বে তিন লাখ ডলারেরও বেশি। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি দেবে দেড় লাখ ডলার, আন্তর্জাতিক হকি সংস্থা দেবে ৭৫ হাজার ডলার এবং বাংলাদেশ দেবে ৭৫ হাজার ডলার পরিমাণ ৬০ লাখ টাকা। টার্ফের জন্য সরকার থেকে এক কোটি ১০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। সরকার থেকে পাওয়া অবশিষ্ট ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে নতুন টার্ফ স্থাপনের কাজে। নতুন টার্ফ স্থাপন করা হবে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে। সেখানকার বর্তমান টার্ফটি দিনাজপুর বিকেএসপিতে স্থাপন করা হবে। সেটিও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। দিনাজপুর বিকেএসপিতে টার্ফ স্থাপের জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে। এর মধ্যে বেইজম্যান্ট তৈরি করতে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বলে জানা গেছে। ৫ কোটি টাকা চেয়ে একটি বাজেট সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলেছেন বিমানবাহিনীর প্রধান এবং হকি ফেডারেশন সভাপতি এয়ার মার্শাল ইনামুল বারী। সেই সাথে আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের সাথেও কথা হয়েছে তার। টার্ফের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক হকি কর্মকর্তাদের ঢাকায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। যত দ্রুত সম্ভব টার্ফ স্থাপনের কাজ শুরু করার জন্য ফেডারেশন প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ জুনের মধ্যে সরকারি অর্থ ব্যয় না করতে পারলে বরাদ্দকৃত অর্থ সরকারকে ফেরত দিতে হবে। অর্থ ছাড় করিয়ে এনে সেটা ফিরে যাক এমন ভুল করতে নারাজ হকি ফেডারেশন।