রামগড়ে সেনাবাহিনীর সদস্যকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টার ঘটনায় যুবলীগের ৯ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হচ্ছেন উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন (তাহের ফারুক), পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শামিম মাহমুদ, ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি সুমন, ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শিপন, সাধারণ সম্পাদক চিকন ফারুক, প্রচার সম্পাদক মুরগী মিলন (এসি মিলন), উপজেলা যুবলীগের সদস্য ফরিদ (বড় ফরিদ), রুবেল ও ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। একই কারণে রামগড় পৌর যুবলীগের কমিটিও বাতিল করা হয়েছে। গতকাল শনিবার খাগড়াছড়ি জেলা যুবলীগের সভাপতি যতন কুমার ত্রিপুরা এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের মিথ্যা ফাঁদ পেতে সেনাবাহিনীর সদস্য নাটু আলীকে নাটোর থেকে গত ৩০ মার্চ রামগড়ে দাওয়াত দিয়ে এনে অপহরণ করে তিন লক্ষ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করে রামগড় যুবলীগের ঐ ৯ নেতা। র্যাব ৩১ মার্চ অভিযান চালিয়ে রামগড়ের বনবিথী বন বাগান থেকে অপহূত সেনা সদস্যকে উদ্ধার করে। ঐদিনই র্যাব যুবলীগের ৩ নেতাকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে এরা খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারে। অপর ৬ জন আত্মগোপন করেছেন।
