গাইনি বিশেষজ্ঞ

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৩৯
নারীর সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গাইনি বিশেষজ্ঞরা অনেক ভূমিকা রাখেন। এই পেশায় কীভাবে ভালো করা যায় ও সফলতা অর্জন করা যায়—এসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন অ্যাপোলো ফার্টিলিটি সেন্টার, ঢাকার গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. হাসিনা আক্তার ডা হাসিনা আক্তার কর্মরত আছেন ঢাকার অ্যাপোলো ফার্টিলিটি সেন্টারে। গাইনির একটি বিশেষ শাখা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি মনে করেন ডাক্তারি পেশার মধ্যে এই পেশাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই পেশাটিতে এদেশের প্রেক্ষাপটে সর্বাধিক অবহেলিত নারীদের নিয়ে কাজ করা যায়। মানব সেবা বিশেষ করে নারী সেবার ব্রত নিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি। গাইনোকোলজি পেশায় তরুণ প্রজন্মকে স্বাগত জানিয়ে হাসিনা বলেন, ‘চিকিত্সা পেশা অন্যান্য পেশার মতো নয়। মানুষের সেবা হলো এ পেশার মূল ভিত্তি। এই পেশাটিকে আসলে পেশা বললে ভুল হবে। যারা মূলত মানুষের সেবা করতে চান তারাই এই পেশায় আগ্রহী হয়ে ওঠে। শুধু তাদেরই এ পেশায় আসা উচিত যারা সেবা ধর্মকে হূদয়ে ধারণ করে নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে পারবেন।’ হাসিনা জানালেন, এই পেশায় যারা আসে তাদের যেকোনো সময় কাজ করার জন্য প্রস্তুতি থাকতে হয়। কারণ এই পেশায় নির্দিষ্ট সময় বলতে আসলে কিছু নেই। এই পেশাতে প্রচুর সময় দিতে হয়। তাছাড়া যাদের চিকিত্সা করা হবে তাদের প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে। নিজের সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ এই পেশায় ভুল করা মানে একজনের জীবনকে সংকটাপন্ন করে তোলা। তবে এই পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে এই পেশায় এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। যারা ভবিষ্যত্ গাইনি চিকিত্সক তাদেরকে মোটা মোটা বইয়ের আড়ালে নিজেদের মুখ লুকিয়ে রেখে পড়াশোনা করতে হয়। যারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন তাদেরকে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রোগী দেখতে হয়। তবে ডাক্তার হয়ে গেলেও পড়াশোনার শেষ নেই। নিজেকে করে তুলতে হবে দক্ষ থেকে দক্ষতর। যারা নতুন চিকিত্সক হয়ে উঠছেন তারা নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি নিতে পারেন। এফসিপিএস, এমএস, ডিজিও-সহ নানা ধরনের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি নেওয়া যায় এদেশ থেকেই। এছাড়া ইংল্যান্ড থেকে এমআরসিজিও ডিগ্রি নেওয়া যেতে পারে। নতুনদের কাছে এই পেশা আগেও গ্রহণযোগ্য ছিল, এখনও আছে। আর ক্রমে পেশাটির জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন এই গাইনি চিকিত্সা