৩ জন লেখক

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৪০
আমাদের বেড়ে ওঠার সঙ্গী গল্পের বই। সাথে কবিতা, উপন্যাস তো আছেই। এই ডিজিটাল যুগে এসেও বইয়ের চাহিদা অটুট রয়ে গেছে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই লেখালেখিকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেন। তাদের কাজে খুঁজে পাওয়া যায় সৃজনশীলতার নতুন মাত্রা। বড় বড় লেখক-সাহিত্যিকদের ভিড়ে তাই প্রজন্মের পাতায় স্থান দেওয়া হয়েছে বিশ্বের ৩ জন তরুণ-তরুণীদের দৃষ্টান্ত, যাদের কর্মজীবনের গল্প আমাদের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে নিয়ে আজকের এই আয়োজনটি লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম স্টে ফে ন মে য়া র আমেরিকান তরুণী স্টেফেন মেয়ার। অল্প বয়স থেকেই লেখালেখির জগতে প্রবেশ করেন। তিনি তার লেখা বই, ‘টোয়ালাইট’-এর জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছেন। তার এই বইটি ইংরেজি ছাড়াও আরও ৩৭টি ভাষাতে রূপান্তর করা হয়েছে। রোমান্টিক বইয়ের পাশাপাশি তার আরও একটি পরিচয় হলো তিনি কল্পকাহিনী বিষয়ক বই বেশি লেখেন। তার কল্পকাহিনী বিষয়ক বইয়ের অন্যতম হলো ‘দ্য হোস্ট’। ২০০৮ এবং ২০০৯ সালে মেয়ার তার লেখালেখির ক্যারিয়ারে বিপুল সফলতার মুখ দেখেন। তার বইয়ের প্রায় ২৯ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তার ‘টোয়ালাইট’ বইটি। অতি জনপ্রিয় রোমান্টিক ফিকশন হিসেবে সুপরিচিত এটি। ০০০ জ ন ক্যা ম্প বে ল জন ক্যাম্পবেল, ডিরেক্টর অব কমিউনিকেশন ডিপার্টমেন্ট, প্রাইম মিনিস্টার টনি ব্লেয়ার (১৯৯৭ থেকে ২০০৩)-এর সব তথ্য নিয়ে লিখেছেন ‘দ্য ব্লেয়ারস ইয়ারস’। রাজনীতিবিদদের মাঝে অনেক জনপ্রিয় একটি বই। তিনি প্রথম ব্লেয়ারকে নিয়ে লেখা শুরু করেন ১৯৯৪ সালে। ১৯৫৭ সালের ২৫ মে অ্যালাস্টার জন ক্যাম্পবেল যুক্তরাজ্যের ইয়র্কশায়ারে জন্মগ্রহন করেন এবং সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। তিনি যুক্তরাজ্যের এক স্কটিস স্কুলে পড়াশোনা করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি খেলাধুলার প্রতিও আগ্রহী ছিলেন। তিনি স্কুলে থাকাকালে বার্নলে ফুটবল ক্লাব-এর মেম্বার ছিলেন। ০০০ কি র ণ দে শা ই কিরণ দেশাইয়ের প্রথম উপন্যাস ‘হোলা বালু ইন দি গোয়াভা অরচার্ড’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ আট বছর বিরতিতে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় উপন্যাস। আর দ্বিতীয় উপন্যাস দিয়েই বাজিমাত করেছেন কিরণ দেশাই। জিতে নিয়েছেন ম্যান বুকার প্রাইজ ২০০৬। তার মা অনিতা দেশাই বেশ কয়েকবার বুকার পুরস্কারের জন্য শর্টলিস্টে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু পুরস্কার জিততে পারেননি একবারও। তার মেয়ে দ্ব্বিতীয় উপন্যাসেই জিতে নিয়েছেন সম্মানজনক এ পুরস্কার। তবে সাহিত্য জগতে কিরণ দেশাইয়ের মনোযোগ বাড়ে ১৯৭৭ সালে। ‘নিউ ইয়র্কার অ্যান্ড ইন মিরর ওয়ার্ক অ্যান অ্যানথলজি অব ফিফটি ইয়ার্স অব ইনডিয়ান রাইটিং’ নামে একটি লেখা প্রকাশ করেন তখন।