অবশেষে বরেন্দ অঞ্চলের ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া বোরোর জমিতে সেচ দেয়া শুরু হয়েছে। রবিবার ‘দৈনিক ইত্তেফাক’র প্রথম পৃষ্ঠায় বরেন্দ অঞ্চলের খরা, বিদ্যুত্ ও সেচ ব্যবস্থা নিয়ে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে তত্পর হয়ে উঠেন বিদ্যুত্ ও বরেন্দ বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা।
কৃষকরা জানান, গতকাল রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হয়। এতে করে সেচের জন্য গভীর নলকূপগুলো সার্বক্ষণিকভাবে চালু ছিল। পর্যায়ক্রমে কৃষকরা জমিতে সেচ দিতে পেরেছেন। পুরো বোরো মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহ দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে পল্লী বিদ্যুত্ উন্নয়নের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা তত্পর হয়ে উঠেন। সেচ ব্যবস্থা ভাল রাখতে পুরো বোরো মৌসুম জুড়ে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলাসহ বরেন্দ অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হচ্ছে বলে পল্লী বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান। পল্লী বিদ্যুতের পাশাপাশি বাংলাদেশ বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও বিদ্যুত্ সরবরাহ নিশ্চিত করতে তত্পর হয়ে উঠেন। পিডিবির গোদাগাড়ী জোনের সহকারী প্রকৌশলী কাসেদ আলী বলেন, রবিবার বিদ্যুতের কোন ঘাটতি ছিল না। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুত্ পাওয়ার কারণে গভীর নলকূপে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হয়েছে। দৈনিক ইত্তেফাক-এ খবরের প্রেক্ষিতে মাঠ পর্যায়ে তদন্তে নেমেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল রবিবার জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালিদ হোসেন গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের সঙ্গে বিদ্যুত্ ও সেচ ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেন।
