ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৩তম সিন্ডিকেট সভায় মেধাবীদের বাদ দিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিপ্রাপ্তদের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, ইংরেজি বিভাগে ৩টি বিজ্ঞাপিত পদের বিপরীতে ৮ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের কনফারেন্স রুমে এ সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র অনুযায়ী, ইংরেজি বিভাগে নিয়োগপ্রাপ্ত ৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ফেরদৌসী আক্তার এসএসসি থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত সব কয়টিতেই ২য় বিভাগ পেয়েছেন। এছাড়া ইয়াকুব আলী, সজীব কুমার ঘোষ ও সনিয়া শারমিন অনার্স ও মাস্টার্সে সেকেন্ড ক্লাস পেয়েছেন। এদের অনেকেরই অনার্স, মাস্টার্সে কোন পজিশন নেই। এক্ষেত্রে অনার্স মাস্টার্স উভয়টিতে ১ম স্থানধারী প্রার্থী থাকলেও তারা নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছেন।
সৌদি আরবের ইউনেসকো এফিলিয়েটেড ঝাজেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হোসাইন লিটন নামের একজন প্রার্থী অভিযোগ করেন, ‘উপস্থিত সকলের মধ্যে আমার রেজাল্ট ভাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আমার সাড়ে চার বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে আমাকে বাদ দেয়া হয়েছে।’
চাকরি প্রত্যাশি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মিজানুর রহমান টিটু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রো-ভিসি ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় তিনি তার ইচ্ছামত শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। কিন্তু আমরাও কোনভাবেই ছাড় দেব না। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।’ তবে এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান দাবি করেছেন, বিভাগের নিয়ম অনুসারেই শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার বলেন, ‘পত্রিকায় ৩ জন শিক্ষকের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হলেও ওই বিভাগে ৬টি পদ ফাঁকা আছে। এজন্য সকলের মতামতের ভিত্তিতে মেধাবী ও যোগ্য ৮ জন শিক্ষক নেয়া হয়েছে।’
