জেলায় শরণখোলা উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের মোকলেছ হাওলাদারের ২ ছেলে আনোয়ার হাওলাদার ও হারুন হাওলাদারকে হত্যার অভিযোগে ২ বনদস্যুকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। খুন হওয়া ২ ভাই পেশায় জেলে ছিলেন। বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম সোলায়মান গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় দেয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত বনদস্যুরা হলেন—জেলার মংলা উপজেলার জয়মনি গ্রামের হাবিব মাতুব্বরের ছেলে মো. জুলফিকার আলী ওরফে জুলফু এবং একই উপজেলার আমড়াতলা গ্রামের জালাল মোল্লার ছেলে অলি ওরফে রাজু ওরফে রতন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলী মোহম্মদ আলী বলেন, ২০০৪ সালের ১১ অক্টোবর নিহত আনোয়ার হাওলাদার ও হারুন হাওলাদারসহ আরো ১০ জন জেলে মহাজনের কাছ থেকে ৯টি নৌকা নিয়ে সুন্দরবনের শেলা নদীতে মাছ ধরতে যায়। এরপর ১৭ অক্টোবর নৌকা মালিক আব্দুল মালেক আকন শেলা নদীতে গিয়ে ৯টি নৌকার মধ্যে ২টি নৌকা দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খুঁজে না পাওয়া ঐ ২ নৌকায় আনোয়ার হাওলাদার ও হারুন হাওলাদার ছিলেন। এরপর ২২ অক্টোবর আনোয়ারের মরদেহ শেলা নদীর বেড়ির খালের চরে পাওয়া যায়। তবে হারুনের লাশের সন্ধান আজও পাওয়া যায়নি। ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ওই ২ বনদস্যুকে ফাঁসির আদেশ দেয়।
