বিএনপির স্থায়ী কমিটি দেশের পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে নতুন নির্বাচন দাবি করেছে। একই সঙ্গে সরকারের দমন নীতির তীব্র নিন্দা করে গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। গতকাল দলের যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বুধবার রাতে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের কমিশনারের মন্তব্যেরও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রশাসনের প্রকাশ্যে পক্ষপাতিত্ব এবং নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তাকে নির্বাচন প্রক্রিয়া ধ্বংস করার জন্য দায়ী করা হয়। বৈঠকে আরো বলা হয়, গণতন্ত্র বিপন্ন হয়ে পড়েছে। উপজেলা নির্বাচনে সরকারি দল নজিরবিহীনভাবে সন্ত্রাস, কারচুপি ও ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ফল তাদের অনুকূলে নেয়। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন এ কাজে সর্বোতভাবে সহযোগিতা করে।
এই সভা মনে করে যে, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের ভূমিকা প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। সভায় অভিযোগ করা হয়, পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনের সময় সারাদেশে বিরোধী দলের শত শত নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, গুম করা হয়েছে ৫০ এর অধিক নেতা-কর্মীকে, হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচনের পর এই নির্যাতন আরো বেড়েছে।
সভায় উল্লেখ করা হয়, উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীতে ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের কারণে পুরো অঞ্চল ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিস্তাসহ সকল অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণেরও জোর দাবি জানানো হয় বৈঠকে।
