গত ১৪ এপ্রিল ‘মৃত্যুর প্রহরে নদী’ শীর্ষক রিপোর্টের একটি অংশের বিষয়ে নিজেদের তথ্য উপস্থাপন করেছে যৌথ নদী কমিশন। কমিশনের সদস্য মীর সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে প্রতিবেদনের অংশবিশেষের বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। এ বছর পদ্মায় (ভারতে ‘গঙ্গা’) প্রাপ্য পানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়ে কমিশন বলেছে, ‘প্রকাশিত সংবাদ সঠিকভাবে পরিবেশিত হয়নি’। প্রতিবেদনের যে অংশটুকুর বিষয়ে কমিশনের আপত্তি তা হচ্ছে : ‘ফারাক্কার প্রভাবে ঈশ্বরদীসহ উত্তরাঞ্চলে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একসময়ে প্রমত্তা পদ্মা ... এখন খালে পরিণত হয়েছে।’ চিঠিতে জানানো হয়েছে, এ বছরে ভারতের ফারাক্কা ও বাংলাদেশের হার্ডিঞ্জ সেতু পয়েন্টে বাংলাদেশ যে পরিমাণ পানি পেয়েছে তা গঙ্গা চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সামগ্রিক নদীর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। গঙ্গার পানি প্রাপ্যতা প্রসঙ্গে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়া হয়নি। প্রতিবেদনে গ্রীষ্মে নদীতীরবর্তী মানুষের বাস্তবচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেইসঙ্গে কৃষি কাজে তাদের দুর্দশার বর্ণনা দেয়া হয়েছে এবং প্রতিকারে কী করণীয় তা তুলে ধরা হয়েছে।
