মেঘনা ও দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতু দুটি খুলে দেওয়া হচ্ছে। শনিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে মেঘনা ও দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জ্যৈষ্ঠ গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের প্রায় সাত মাস আগেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ঈদের আগে সেতু দুটি খুলে দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।
মেঘনা-গোমতি সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক শওকত আহমেদ মজুমদার জানান, ১৪‘শ ১০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৭ দশমিক ৭৫ মিটার প্রস্থ দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতু ১৬ টি পিয়ার ও দুই পাশে দুটি এপার্টমেন্টের উপর নির্মাণ করা হয়েছে। এটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া পুরাতন মেঘনা-গোমতি সেতু পুনর্বাসনের জন্য ব্যয় হবে ৪‘শ কোটি টাকা। দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতু উদ্বোধনের পর যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হলে পুরাতন সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।
আরো পড়ুন: এ বছর ঝরে পড়ার আশঙ্কায় প্রায় ২ লাখ শিক্ষার্থী
তিনি আরো বলেন, দ্বিতীয় কাচঁপুর, মেঘনা ও দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতু নির্মাণ ও পুরাতন বিদ্যমান তিনটি সেতু পুনর্বাসনের জন্য মোট ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা। নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কারণে প্রায় ৭‘শ কোটি টাকা সরকারের সাশ্রয় হয়েছে।
মেঘনা-গোমতি সেতুর আবাসিক প্রকৌশলী কবির আহমেদ জানান, ২০১৬ সালে জানুয়ারি মাসে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ২০২০ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু তার বেশ কয়েকমাস আগেই নতুন সেতু নির্মাণ ও পুরাতন বিদ্যমান সেতুর পুনর্বাসন কাজ শেষ হবে। জাপানের আধুনিক প্রযুক্তি ও স্টিল ন্যারো বক্সগার্ডার উপর এই সেতু নির্মিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম সেতু। এর আগে ভিয়েতনাম ও জাপানে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
