ঈশানা

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৪, ২০:০৩
একাধারে তিনি মডেল ও অভিনয়শিল্পী। বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিফিল্ম, মেগা সিরিয়ালে নিজের অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ দিচ্ছেন তরুণ অভিনেত্রী ঈশানা। কুমিল্লার মেয়ে ঈশানা ২০০৯ সালের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হওয়ার পর থেকেই মিডিয়াতে কাজ শুরু করেন। মিডিয়ায় ব্যস্ত জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী সম্পর্কে ব্যতিক্রম কিছু তথ্য থাকছে এবারের আয়োজনে। অনুলিখন করেছেন আহসান রনি নাম :মৌনিতা খান ঈশানা ডাকনাম :ঈশানা জন্মতারিখ :১৬ ডিসেম্বর পড়াশোনা :বর্তমানে বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়ছি। অনার্স ফাইনাল ইয়ার চলছে। অনুপ্রেরণা :আমার মা ও বড় বোন শাওন। আমার পরিবারই আমার অনুপ্রেরণার মূল জায়গা। প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা :ভেবেছিলাম ভয় পাবো, কিন্তু আসলে ভয় পাইনি। নরমালি যেমন থাকি অভিনয়ের ক্ষেত্রেও তেমনটাই থাকার চেষ্টা করেছিলাম, ফলে অভিনয়ে জড়তা আসেনি। তাছাড়া প্রথম নাটক ‘ফিরিয়ে দিলাম পৃথিবী’-এর পরিচালক তন্ময় তানসেন ও কো-আর্টিস্ট সজলের সহায়তায় ভালো একটি কাজ করতে পেরেছিলাম। এটা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ। অভিনেত্রী না হলে যা হতেন :কর্পোরেট ওমেন হতাম। কখনও ভাবেননি মডেল বা অভিনেত্রী হব। আগে থেকেই করপোরেট সেক্টরে কাজ করার ইচ্ছে ছিল। ইচ্ছেটি এখনও আছে। আয়নায় নিজেকে দেখে যা মনে হয় :আয়না খুবই পছন্দের জিনিস আমার। অনেক ছোটবেলা থেকেই আমার এই আয়নাপ্রীতি। আয়না দেখলেই সেটির সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখা শুরু করে দিই। তখন নিজের মনেই বলে উঠি, বাহ্! মেয়েটা ভালোই তো। সম্প্রতি দেখা চলচ্চিত্র :ফ্রোজেন (ইংরেজি), হাইওয়ে (হিন্দি), অগ্নি (বাংলা) বারবার শোনা গান :সব ধরনের গানই শোনা হয়। পুরোনো দিনের বাংলা গান; বিশেষ করে রবীন্দ্রসংগীত আমার খুবই প্রিয়। যে গানগুলো আপন মনে গেয়ে উঠি :‘পুরনো সেই দিনের কথা’ ও দলছুটের ‘আমি তোমাকেই বলে দেবো’। যে বইটি অনেকবার পড়েও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে :বই পড়তে খুব ভালোবাসি। বিশেষ করে বইটির লেখক যদি হন হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের ‘বহুব্রীহি’ অনেকবার পড়লেও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে। এছাড়া আছে সমরেশ মজুমদারের ‘গর্ভধারিণী’। ফার্স্টফুডে খেতে গেলে প্রথমেই যে অর্ডার দেন :জুস। কোনো নির্দিষ্ট জুস নয়। সিজনাল যেকোনো জুস আমার প্রিয়। গরমকালে যেমন প্রথমেই অর্ডার দিই তরমুজের জুস। তবে ফার্স্টফুডের কথা বলতে গেলে মাসরুমকেই খাবারের তালিকায় সবার আগে রাখি আমি। আড্ডার সময় বিষয়গুলো :আড্ডা দেওয়ার সময় মূলত কোনো বিষয় ঠিক করা হয় না। যখন মুড যেমন থাকে আড্ডার বিষয়বস্তু সেদিকে নিয়ে যান বন্ধুরা। ভালো কিছু বন্ধু থাকায় আড্ডার সময়টুকু অনেক ভালো কাটে আমার। মজার স্মৃতি :কিছুদিন আগে বন্ধুরা মিলে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়েছিলাম। সবার প্ল্যান ছিল সেন্টমার্টিন যাবই। কিন্তু সেই সময়ই একটানা হরতাল শুরু হলো। ফলে কোনোদিকে যাওয়ার পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না আমরা। বাধ্য হয়ে আটদিন থাকতে হলো সমুদ্রের লীলাভূমিতে। অনিচ্ছাকৃতভাবে থাকলেও এটা আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ও মজার স্মৃতি। ছবি আশীষ সেনগুপ্ত