দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে শতাধিক আহত হয়েছে। এছাড়া বাড়ি-ঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। খবর ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের।
শনিবার সকালে মাগুরা সদর উপজেলার পাটকেলবাড়ি গ্রামে আজিজ মেম্বার ও আহম্মদ মাস্টারের সমর্থকদের মধ্যে এলাকায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ৪০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ২৫ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
এদিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাকাই হাটে শুক্রবার দুপুরে সংঘর্ষে ১৫ জন ও সকালে বার্থী ইউনিয়নের তাঁরাকুপি গ্রামে পুকুরে মাছ ছাড়াকে কেন্দ্র করে ২ গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতদের গৌরনদী ও বরিশাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে।
এছাড়া তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সুখিয়া গ্রামে শনিবার সকালে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত ও ৩টি দোকান ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
মেহেরপুরের গাংনীতে যুবলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। শনিবার সকালে সরকারি খাদ্য গুদামে গম দেয়াকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। এসময় মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে ১ ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ ছিল।
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাবলা মাথাভাঙ্গা গ্রামে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষে ২ মহিলাসহ ৬ জন ও বসতবাড়িতে আগুন দেয়া হয়। জানা গেছে, বাবলা মাথাভাঙ্গা গ্রামের আবুল কাসেমের সাথে ফজলুর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
গোবিন্দগঞ্জে হামলা পাল্টা হামলায়
দোকান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ
এদিকে গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা জানান, গোবিন্দগঞ্জে গত শুক্রবার রাতে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদলের কয়েকজন কর্মী যুবলীগ নেতা মাসুদ মহুরীর ওপর হামলা করে গুরুতর আহত করে। পাল্টা হামলায় যুবদল নেতা মিজানুরের বাড়ি-ঘর, দোকানে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
