‘লুকিয়ে রাখার জায়গা না পেয়ে রিফাতকে হত্যা করা হয়’

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৪, ২১:২৪
“ল্যাপটপ কিনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রিফাত হোসেনকে। এর পর চাওয়া হয় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ। লোক জানাজানির হাত থেকে বাঁচতে কোমল পানীয়তে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয় তাকে। তবে লুকিয়ে রাখার জায়গা না পেয়ে রিফাতকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। লাশ গুম করতে বস্তাবন্দী করে তা ফেলে দেয়া হয় প্রতিবেশির বাথরুম হাউসের মধ্যে। সাত দিন পর অর্ধগলিত অবস্থায় পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।” লোমহর্ষক ওই হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ৫ মাস পর গত বৃহস্পতিবার রাজবাড়ী থানার ওসি ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক প্রদত্ত চার্জশিটে এসব তথ্য দেয়া হয়েছে। রিফাত হত্যা মামলার আসামি রনি সেখ, রঞ্জন সরকার ওরফে রক্তিম ও রাসেলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন তিনি। একই সাথে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটে অপর তিন আসামি আফজাল, কিয়াম ও রনজিেক মামলা থেকে অব্যাহতি দেবার আবেদন করা হয়েছে।