একটা প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি স্তরের একটি প্রধান অংশজুড়ে রয়েছে স্ট্র্যাটেজি প্ল্যানারের ভূমিকা। মার্কেটিংয়ের সব সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে শুরু করে কোম্পানির স্বার্থে সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো দায়িত্ব পালন করেন তারা। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত মেধাবী স্ট্র্যাটেজি প্ল্যানারদের মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
এ রি কা ও ল সে ন
হাইস্কুলে পড়া অবস্থায় এরিকা স্বপ্ন দেখতেন একদিন তিনি বড় একটি কোম্পানির সাথে কাজ করবেন। সেই চিন্তা থেকেই তিনি ক্লিক এজেন্টস নামের একটি কোম্পানির সাথে যুক্ত হন পড়াশোনার পর্ব শেষ করে। এর ঠিক আঠারো মাস পরে ‘ভ্যালু ক্লিক’ কোম্পানির কাছে মাত্র ৪০ মিলিয়ন ডলারে তাদের এই কোম্পানিটি বিক্রি হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি কাজ থেকে দূরে ছিলেন। তবে তার মনে সবসময়ই নিজস্ব কোম্পানি প্রতিষ্ঠার বাসনা ছিল। পাশাপাশি স্ট্র্যাটেজি প্ল্যানার হিসেবে কাজ করারও বাসনা ছিল তার। তার দীর্ঘ দিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে একসময় পেয়ে যান সেই সুযোগ।
===
স্টে ফে ন জি. হে ই ন স
২০০৭ সালে তাকে সেমেন্টেক নামের কোম্পানির সাথে যুক্ত করা হয়। সেই সাথে তিনি কোম্পানির বোর্ড অব ডিরেক্টর পদেও কাজ করছেন। তাদের কোম্পানির কাজ হলো বিভিন্ন মার্কেটিং বিষয়ে যত সব সমস্যা রয়েছে সেগুলোর সমাধান করে দেওয়া। মূলত সলিউশন বেজড কোম্পানিই তারা দাঁড় করাতি চেয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীকালে চাহিদার কারণে এর ব্যাপ্তি বাড়াতে হয়েছে তাদের। এরপর কোম্পানিতে সফটওয়্যারও সংযুক্ত করা হয়, ২০০৭ সালে তাদের কোম্পানিকে মাল্টিন্যাশনাল রূপ দেওয়া হয়। সেই সফটওয়্যারের সেকশনের কনিষ্ঠ চিফ হিসেবে ছিলেন স্টেফেন। তার জন্ম ভারতে কিন্তু পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠা তার আমেরিকাতেই।
===
কো নো টি
তিনি মোট ১১টি দেশে বসবাস করেছেন। তার বাবা ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের একজন ডিপ্লোম্যাট। তার মা খুব ছোট বয়সে মারা গেছেন। এর পর থেকে বাবাই তার সব। তিনি ইস্ট এশিয়ার এক ইউনিভার্সিটি থেকে বিজনেস অ্যাডমিনসট্রেশনের উপর ডিগ্রি নেন। এবং মাস্টার্সের জন্য আমেরিকাতে আসেন। আমেরিকার ‘কার্নিগ মেলন ইউনিভার্সিটি’ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি পড়া শেষ করেন। তিনি বিজনেস অ্যাডমিনসট্রেশনের উপর পড়াশোনা করলেও তার ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ইনফরমেশন টেকনোলজি ফিল্ডে। বর্তমানে তিনি তার কোম্পানির সকল প্রকার প্রজেক্টের তত্ত্বাবধান করছেন। ‘পরিবর্তনই আমাদের একমাত্র অঙ্গীকার’ এই বক্তব্যকেই তিনি তার স্ট্র্যাটেজি বলে জানান।
