গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৪, ২২:২৫
প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ। গরমের কারণে সর্দি-কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া এমনকি টাইফয়েড পর্যন্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। প্রথমত গরমে শিশুদের বেশ সাবধানে রাখা উচিত। বাড়িতে, খেলার মাঠে বা স্কুলে যাতে রোদে বেশি ঘুরাঘুরি না করে তা দেখতে হবে। গরমে শিশুদের শরীর ও মাথা ঘেমে গেলে তা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে দিন। এছাড়া অধিক ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে স্বাভাবিক তাপমাত্রার অথবা হালকা ঠাণ্ডা পানি পান করতে দিন। এছাড়া শিশুকে রোদ থেকে বা স্কুল থেকে বাসায় এনে যাদের বাড়িতে এসি আছে তারা এসি ছেড়ে বেশি ঠাণ্ডা দেবেন না। এসির তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৮ এর মধ্যে রাখুন। শিশুকে সুতির হালকা কাপড় পরাতে হবে। একই নিয়ম বড়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সূর্যের তাপ থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনে ছাতা ব্যবহার করুন। এছাড়া গরমে বাইরের খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এছাড়া জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া বা বমি হলে অবশ্যই চিকিত্সা নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা বা শিশুর ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। জ্বর, সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল সেবন করানো যেতে পারে। সর্দি-কাশি হলে এন্টি-হিস্টামিন জাতীয় সিরাপ দেয়া যায়। তবে মনে রাখতে হবে, ৫/৭ দিনের মধ্যে শিশুর কাশি, জ্বর না কমলে অবশ্যই কোন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া ভালো। কারণ জ্বর, সর্দি-কাশি ছাড়া নিউমোনিয়া, শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহ ও টাইফয়েড হওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং এক্ষেত্রে উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক সেবনের প্রয়োজন হতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা দেয়া যায়। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ