প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় পৃথক মামলা তিনটি দায়ের হয়। অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ নেয়ার অভিযোগে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৮, ৯ ও ১০। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যতন কুমার রায় বাদী হয়ে মামলা তিনটি দায়ের করেন। ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ওই তিনটি মামলা দায়ের করে দুদক। এর আগে দুপুরে সেগুন বাগিচার কার্যালয়ে দুদকের নিয়মিত বৈঠকে এ মামলা অনুমোদন দেয়া হয়।
দুদক সূত্র জানায়, শওকত হোসেন ২০০১ সালের দিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকাকালীন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে নিজের, মা ও স্ত্রীর নামে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ নেন। বিধিবিধান না থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজউক থেকে প্রাপ্ত প্লটের আয়তন বৃদ্ধি করেন।
মামলার বিষয়ে এজাহার সূত্রে জানা যায়, শওকত হোসেন ২০০১ সালে উত্তরা প্রকল্পে নিজের নামে তিন কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন। সেটাকে অনিয়মের মাধ্যমে পাঁচ কাঠায় রূপান্তর করেন। পরে সেখান থেকে দুই কাঠা বিক্রি করে দেন; কিন্তু ওই জমি ডেভেলপমেন্টের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়ার সময় পুরো পাঁচ কাঠার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান করেন। এ অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অপর মামলার এজহারে বলা হয়, পূর্বাচল প্রকল্পে ২০০৪ সালে শওকত হোসেন তার স্ত্রী ড. আয়েশা খানমের নামে সাড়ে সাত কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন। পরে সেটাকে ১০ কাঠা এবং পরে সাড়ে ১২ কাঠায় উন্নীত করেন।
অন্য মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়, একইভাবে রাজউকের উত্তরা আবাসিক প্রকল্পে জালিয়াতি করে সচিব তার মায়ের নামে নেন তিন কাঠার প্লট। পরে সেটাকে পাঁচ কাঠায় উন্নীত করেন তিনি।
