কটিয়াদীতে গণহত্যা ও প্রতিরোধ দিবস আজ

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৪২
আজ ২৪ এপ্রিল কটিয়াদি গণহত্যা ও প্রতিরোধ দিবস। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ১৯৭১ সালের এই দিনে বর্বর পাকবাহিনী প্রথম হানা দেয়। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যা করে। স্থানীয় বীনাপানি ফার্মেসী থেকে স্বাধীন বাংলার পতাকা বিক্রি করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। এই খবর পেয়ে পাকবাহিনী বীনাপানি ফার্মেসিতে অগ্নিসংযোগসহ শত শত দোকান লুট করে ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ২৪ এপ্রিল দুপুর ২টায় পাকবাহিনী কটিয়াদী হানা দেয়ার পূর্বে তত্কালীন ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বর্তমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফের মামা আসাদুজ্জামান মিয়া বাইসাইকেলে চড়ে পাকবাহিনী আসছে প্রচার করে সবাইকে পালিয়ে যেতে আহবান জানান। হাজার হাজার জনতা ব্রহ্মপুত্র নদ পার হয়ে মনোহরদীর চরমান্দালীয়া গ্রামে আশ্রয় নেয় এবং মাস্টার বাড়ি বাজারে মুক্তিযোদ্ধারা সংঘটিত হন। পরে এই বাজারটির নাম হয় জয়বাংলার বাজার। স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও জনতাসহ এই উপজেলার ১২৩ জন শহীদ হয়। ২৪ এপ্রিল পাকবাহিনীর আক্রমণের পর তত্কালীন বেঙ্গল রেজিমেন্টের মুক্তিযোদ্ধা ইপিআর সিপাহী শেখ হারুন (ক্যাপ্টেন), আব্দুর রশিদ তারা মাস্টার, সিপাহী আফতাব ও বর্তমান জনতা ব্যাংকের পরিচালক ড. রমনী মোহন দেবনাথের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা এই রাতে কটিয়াদী থানা আক্রমণ করে এবং অস্ত্রভাণ্ডার লুট করে।