যশোরের কেশবপুরে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১২ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। গত ১০ দিনে ডায়রিয়ায় চিকিত্সা নেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে শতাধিক। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পল্লী চিকিত্সকদের চেম্বারে অনেক ডায়রিয়া রোগীর চিকিত্সা নেয়ার খবর পাওয়া গেছে। ৪টি ইউনিয়নকে ডায়রিয়া প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুস সামাদ জানান, প্রচণ্ড তাপদাহের কারনে ডায়রিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি, গৌরীঘোনা, ত্রিমোহিনী ও সুফলাকাটি ইউনিয়নকে ডায়রিয়া প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্য কর্মীরা সেবা দিয়ে চলেছেন।
মীর্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, মীর্জাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সরকারি হিসেবে গত ১ এপ্রিল থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৪ দিনে ৫৮ জন নারী-পুরুষ ও শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মীর্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ৬ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী মীর্জাগঞ্জ হাসাপাতালে ভর্তি আছে। তবে বেসরকারি হিসেবে উপজেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে বলে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানগণসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদার জানান, প্রচণ্ড গরম ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপজেলায় ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে আইভি স্যালাইন ও খাবার স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র মজুদ রয়েছে।
