বিসিএস পরীক্ষায় আসছে পরিবর্তন

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৪, ২২:১৮
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) তত্ত্বাবধানে থাকা পরীক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পরীক্ষার প্রক্রিয়া ও মানবণ্টনে আসছে নানা পরিবর্তন। পরিবর্তিত নিয়মে আগামী ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং পিএসসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সম্প্রতি নতুন নিয়মের প্রস্তাবনা ও সুপারিশসহ একটি চিঠি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে পিএসসি। এছাড়া ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ২০১৩ খসড়া নীতিমালা’ ও ‘বিসিএস পরীক্ষা আইন ২০১৩’ বাংলায় প্রণয়ন করা হবে বলে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত সুপারিশ অনুযায়ী, আগামীতে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পূর্ণমান হবে ৩০০ এবং তিন ঘণ্টায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যমান নিয়মে ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এক ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হয়। আর এ পরীক্ষার ফি ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা এবং আদিবাসীদের জন্য ৫০ টাকার পরিবর্তে ২৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষায় ২০০ নম্বরের প্রথম পত্রের পরীক্ষা ৩ ঘণ্টায় এবং ১০০ নম্বরের দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা ৩ ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যমান পদ্ধতিতে দুই পত্রের পরীক্ষারই পূর্ণমান ১০০ এবং তিন ঘণ্টায় প্রতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ১০০ পূর্ণমানের পরীক্ষায় ২৫ নম্বরের নিচে ‘নো নম্বর’ হিসেবে বিবেচিত হলেও নতুন নিয়মে ৩০ নম্বরের নিচে এ মান নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় পাসের জন্য সর্বনিম্ন ৫০ শতাংশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ৪০ শতাংশ। মন্ত্রণালয় এবং পিএসসির একাধিক সূত্র জানায়, ৩৫তম বিসিএস থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হবে। এ নিয়ম সামনে রেখেই এ পরীক্ষার কাজ করা হচ্ছে। প্রস্তাবনা চূড়ান্ত হলেই ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে। এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। বর্তমান নিয়ম নীতিগুলো ইংরেজিতে লেখা। আর নতুন প্রস্তাবটি বাংলায় লিখিত। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।