চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে ১৩টি উপজেলায় ভোট কেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৭২৪টি। ভোট কক্ষের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৬৭টি। অস্থায়ী কেন্দ্র থাকবে ৩৮১টি।
গত ১৬ এপ্রিল ১৪টি উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও ১৩টির নির্বাচন আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিত হবে। আদালত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালি উপজেলার নির্বাচনের উপর রুল জারি করায় ওই উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করেছে কমিশন।
এরমধ্যে পাঁচটি উপজেলার তফসিল পূর্বের বিভিন্ন ধাপে ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে সীমানা সংক্রান্ত জটিলতাসহ বিভিন্ন কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। ১৩ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৯০১ জন। মহিলা ভোটার ৮ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫৫ জন।
ষষ্ঠ ধাপে যেসব উপজেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো হল-রংপুরের কাউনিয়া, সদর, গঙ্গাচড়া, পীরগাছা; সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ; বরগুনার তালতলি; রাজবাড়ীর কালুখালী; নারায়ণগঞ্জের বন্দর; গাজীপুরের সদর; টাঙ্গাইলের বাসাইল; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর; কুমিল্লার আদর্শ সদর ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ। এছাড়াও ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য হওয়ায় ওই একই তফসিলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লার আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৩২ জনের মধ্যে ২৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার এ দুই উপজেলার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়।
গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থী হলেন ৯ জন। ভাইস চেয়ারম্যান ১১ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী হবেন।
রংপুর প্রতিনিধি জানান, গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন চেয়ারম্যান পদে ৩২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২২ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
