ষষ্ঠ ধাপে উপজেলা নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী ২৩১ জন

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:১৩
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপে ১৩ উপজেলায় ২৩১ জনকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৪৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে গতকাল রবিবার ১২ প্রার্থীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করে কমিশন। ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান এ তথ্য জানান। এদিকে নির্বাচনের শেষ ধাপে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও অবাধ করতে ৬৫ জন নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। প্রতি উপজেলায় ৪ জন করে মোট ৫২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রতি উপজেলায় ১ জন করে মোট জন ১৩ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। গত ১৬ এপ্রিল ১৪টি উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও ১৩টির নির্বাচন আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিত হবে। আদালত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালি উপজেলার নির্বাচনের উপর রুল জারি করায় ওই উপজেলার নিবাচন স্থগিত করেছে কমিশন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩ মে। গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে ১৩টি উপেজলায় চেয়ারম্যান পদে ৯৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৩ জনসহ মোট ২৪৩ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৮৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৩ জন প্রার্থী। ১৩ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৯০১ এবং মহিলা ভোটার ৮ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫৫ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৭২৪টি। ভোট কক্ষের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৬৭টি। অস্থায়ী কেন্দ্র থাকবে ৩৮১টি। এ ধাপের নির্বাচনে আগামী ১৯ মে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করলে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। গতকাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। এসব ম্যাজিস্ট্রেট আগামী ৩ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। ইসির আইন শাখার সহকারী সচিব লায়লা শারমিন স্বাক্ষরিত ওই নিদের্শনায় বলা হয়েছে, ১৩ উপজেলার প্রতিটির জন্য ৪ জন করে মোট ৫২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। সে মোতাবেক আগামী ৩ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত প্রতি উপজেলায় একজন করে মোট ১৩ জন ম্যাজিস্ট্রেট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ টিমের সঙ্গে নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া ভোটগ্রহণের আগে দুই দিন ও পরে একদিন অর্থাত্ ১৭ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত মোট ৪ দিন প্রতি উপজেলায় ৩ জন করে মোট ৩৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্বাচনী অপরাধের শাস্তি প্রদানে প্রতি উপজেলায় নিয়োজিত রাখা হবে ১ জন করে মোট ১৩ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। তারা ১৭ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।