মৃত কর্মচারীর স্ত্রী সেজে পৌনে ৯ লাখ টাকার পেনশন আত্মসাত্

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১৮
চাঁদপুর প্রধান ডাকঘর ও হাজীগঞ্জের বলাখাল উপ-ডাকঘর থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে আট লাখ ৬৮ হাজার ১০৬ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত্ করেছে প্রতারক চক্র। ডাক বিভাগের মৃত চারজন কর্মচারীর স্ত্রী সেজে প্রতারক চক্র এই টাকা উত্তোলন করেছে। এ ঘটনার চাঁদপুর প্রধান ডাকঘরের পরিদর্শক মো.শহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে ভুয়া কাগজপত্র সৃষ্টি করে প্রতারণামূলক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পাঁচজনকে আসামি করে সম্প্রতি একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলার আসামিরা হলো চাঁদপুর সদর উপজেলার রাড়ীরচর গ্রামের আব্দুল লতিফ বেপারীর ছেলে মো. শাহ্জাহান বেপারী, দক্ষিণ আশিকাটি গ্রামের খুরশিদা বেগম, চাঁন্দেরবাগ গ্রামের মৃত রিপন চন্দ্রের স্ত্রী মরনী বালা দেবী, শাহ্রাস্তির ওয়ারুক গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের স্ত্রী আমেনা খাতুন ও হাজীগঞ্জের ইছাপুরা গ্রামের মো. শহীদ উল্যার স্ত্রী খায়রুন নেছা। ২০০৭ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১২ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সময়ের চাঁদপুর প্রধান ডাকঘর ও বলাখাল উপ- ডাকঘর থেকে আসামিরা ৮ লাখ ৬৮ হাজার ১০৬ টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলন করেছে। ডাক বিভাগের মৃত চার কর্মচারী চাঁন মিয়া, সিকান্দার আলী, বিপির চন্দ্র দে এবং ফজলুর রহমান মৃত্যুবরণ করার পর ঐ আসামিরা তাদের প্রকৃত নাম, ঠিকানা ও পরিচয় গোপন করে মৃত কর্মচারিদের স্ত্রী সেজে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে লিখিতভাবে পারিবারিক পেশনের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের নামে পিপিও (ফ্যামিলি পেনশন অর্ডার ) ইস্যু হলে বকেয়া পেনশন, নিয়মিত পেনশন, চিকিত্সা ভাতা ও উত্সব ভাতা বাবদ ঐ টাকা দু’টি ডাকঘর থেকে উত্তোলন করে আত্মসাত্ করেন। চাঁদপুর সদর ডাকঘর পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, মামলার পরে প্রধান আসামি মো. শাহ্জাহান বেপারীকে চাঁদপুর সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে সে জেলহাজতে রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন টাকা আদায় হয়নি। হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ্ আলম জানান, মামলাটি দুদক তদন্ত করছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।