চৌদ্দ প্রতিষ্ঠানের নথি চেয়ে দুদকের নোটিস

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৪৪
আনন্দ শিপইয়ার্ডের হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে সাতটি ব্যাংক ও সাতটি লিজিং কোম্পানির প্রধানের কাছে ঋণের যাবতীয় নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সিনিয়র উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী নথিপত্র চেয়ে এ নোটিস পাঠিয়েছেন। উল্লেখ্য, কোম্পানিটির বিরুদ্ধে জাহাজ রফতানির নামে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠে। দুদক এ অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। যে সাত ব্যাংকের নিকট নথিপত্র তলব করা হয়েছে তা হলো-ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (কাওরান বাজার শাখা), এবি ব্যাংক লিমিটেড (কাওরান বাজার শাখা), মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড (ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট শাখা), ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড (মতিঝিল শাখা), জনতা ব্যাংক লিমিটেড (লোকাল অফিস), এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (প্রধান শাখা) প্রধান বরাবর আনন্দ শিপইয়ার্ডের নেয়া ঋণের সকল নথিপত্র তলব করা হয়েছে। একইভাবে লিজিং কোম্পানি ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (পিএফআইএল), বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসিএল), ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (এফএফআইএল), আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (এনএইচএফআইএল), হজ্ব ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (এইচএফসিএল) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডের (পিএলএফএল) কাছে আনন্দ শিপইয়ার্ডের নেয়া ঋণের সকল কাগজপত্র তলব করা হয়েছে। দুদকসূত্র জানিয়েছে, জাহাজ রফতানির নামে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে আনন্দ শিপইয়ার্ড দেশের ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। জাহাজ নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়া এসব ঋণ দেয়া হয়েছিল বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে দুদক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে কমিশন নিয়মিত বৈঠকে এ অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে নোটিস তলব করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার নথিপত্র তলব করে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের নোটিস পাঠানো হয়।