সুষ্ঠুু রাজনীতিতে তরুণদেরও অবদান রাখতে হবে

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৪১
একটি দেশের উন্নয়নের জন্য তরুণদের যেমন প্রয়োজন আছে ঠিক তেমনি সমাজের উন্নয়নের জন্য সুষ্ঠু রাজনীতির প্রয়োজন আছে। কিন্তু সেই রাজনীতির উদ্দেশ্য যদি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সমাজের স্বার্থ হাসিল করা হয় তাহলে তা মোটেই সুষ্ঠু রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ হতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া কখনো সুষ্ঠু রাজনীতির চর্চা হতে পারে না। দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ছাত্র রাজনীতি চর্চার প্রধান কেন্দ্র। কারণ ছাত্ররা যে পরিমাণ সময় রাজনীতির পেছনে ব্যয় করতে পারে অন্য কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে সেই পরিমাণ সময় ব্যয় করা সম্ভব হয় না। কিন্তু সেখানে কি রাজনীতির সুষ্ঠু চর্চা হচ্ছে? তাহলে কেন আজ এত রাজনৈতিক সংঘর্ষ? অপরাজনীতির কালো ছায়া নেমে এসেছে কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে এবং তা পরোক্ষভাবে ছড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের সমাজে। ফলে অনেক পরিবারকে হারাতে হচ্ছে তিলে তিলে বড় করে তোলা আদরের সন্তানকে, ঠিক তেমনি দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একটি মেধাবী মস্তিষ্ক। যে মস্তিষ্কের সফল ক্রিয়া বিশ্বকে দিতে পারতো অনেক কিছু। কারণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা হয় অদম্য মেধাবী। প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরই একজন শিক্ষার্থী কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে। কিন্তু সেই শিক্ষার্থী ফিরে যাবে লাশ হয়ে তা কারো কাম্য হতে পারে না। কিন্তু এসব মা-বাবার বুক খালি করা শিক্ষার্থীদের প্রাণের বিনিময়েও তো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে না। এসব থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য প্রয়োজন তরুণ সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনীতির সুষ্ঠু চর্চার অনুশীলন শুরু হয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়