রাশি রাশি ধান। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে বোরো ধান পুষ্ট হয়ে সোনার রং ধরেছে। হয়েছেও বাম্পার ফলন। বোরো ধানের এমন ফলনে কৃষকের ঘরে ছিল আনন্দের বন্যা। ঠিক তেমন মুহূর্তে গত শনিবার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার টাংগাব, দত্তেরবাজার ইউনিয়ন ও উস্থি, পাঁচবাগ, লংগাইর ইউনিয়নের একাংশসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যায় কালবৈশাখী তার সাথে শিলাবৃষ্টি। কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির পর হাজারো কৃষক তাদের জমির ধ্বংসযজ্ঞ দেখে হতভম্ব। মাঠের পর মাঠে কৃষকের ধান ক্ষেতে একটিও ধানগাছ আর দাঁড়িয়ে নেই।
টাংগাব গ্রামের চিচিংগা চাষি শাহজাহান মিয়া জানান, এবার তিনি ২ একর জমিতে চিচিংগার আবাদ করেছিলেন। ফলনও হয়েছিল ভালো। কিন্তু ফসল ঘরে তোলার পূর্বেই কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টি সব লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বছরের প্রথম কালবৈশাখীতে ৫টি ইউনিয়নের ৩০টি গ্রামের ২ হাজার ৪শ’ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে ৪শ’ ৩৫ হেক্টর জমির বোরো ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো কৃষি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কিভাবে সহায়তা করা যায়, তা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলে প্রস্তাব পাঠানো হবে।
