বিচার প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৪, ২২:০১
আদালতে জাল সনদ দাখিলের অভিযোগে এক বিচারপ্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আবুল হোসেন নামের ওই বিচারপ্রার্থীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাজারি করতেও নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার আইনজীবী এজেডএম ফরিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ তদন্তের জন্য বার কাউন্সিলকে বলা হয়েছে। বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার এ নির্দেশ দেয়। জানা গেছে, চাকরির বয়স পূর্ণ হওয়ার কারণ দেখিয়ে ক্রিসেন্ট জুট মিলস কোম্পানি লিমিটেডের রিলিভার আবুল হোসেনকে ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যাওয়ার নির্দেশনা দেয় কোম্পানিটি। এতে তার জন্ম ১৯৫২ সাল বলে উল্লেখ করা হয়। এ অবসর নোটিসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ওই ব্যক্তি। আবেদনে দাবি করা হয়, আবুল হোসেন ১৯৬২ সালের ২ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে অষ্টম শ্রেণি পাস করেন বলেও তিনি সনদ দাখিল করেন। এ সংক্রান্ত আরও কিছু সনদও দাখিল করা হয়। এসব সনদ পরীক্ষা করে হাইকোর্ট দেখতে পান, আবুল হোসেন মাত্র সাত বছর বয়সেই অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ হন। এতে সনদের সত্যতা নিয়ে হাইকোর্টের সন্দেহ হয়। পরে হাইকোর্ট রিট আবেদনকারীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশনা দিলেও আইনজীবী তাকে হাজির করতে ব্যর্থ হন। সংশ্লিষ্ট অন্যরাও হাইকোর্টকে জানান, দাখিল করা সনদ জাল। গত বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট এ আবেদনের ওপর রুল জারি করে। চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি খারিজ করে দেয়। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, আদালত নিশ্চিত যে রিট আবেদনে দাখিল করা সনদ জাল এবং বানানো। এরপর ক্ষমা প্রার্থনা করে বার কাউন্সিলে বিষয়টি না পাঠানোর অনুরোধ করেন আইনজীবী এজেডএম ফরিদুজ্জামান।