ভাবনা

আপডেট : ০২ মে ২০১৪, ১৯:১৪
একাধারে তিনি মডেল ও অভিনয়শিল্পী। বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিফিল্ম, মেগা সিরিয়ালে নিজের অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ দিচ্ছেন তরুণ অভিনেত্রী ভাবনা। অল্প সময়েই নিজের মেধা ও প্রতিভায় অনন্য এই অভিনেত্রী জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকদের মনে। মিডিয়ায় ব্যস্ত জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী সম্পর্কে ব্যতিক্রম কিছু তথ্য থাকছে এবারের আয়োজনে। অনুলিখন করেছেন নওশীন শর্মিলী নাম :আশনা হাবিব ভাবনা ডাকনাম :সবাই চেনে ‘ভাবনা’ নামে। কিন্তু বাড়িতে বোনেরা ডাকে ‘টুংটাং’ নামে, নানার বাড়ির লোকজন ডাকে ‘পিংকি’ নামে, মামারা ডাকে ‘প্রিয়াংকা’ নামে। জন্মতারিখ :৩ আগস্ট পড়াশোনা :ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারে পড়ছি। অনুপ্রেরণা :আলাদাভাবে অনুপ্রেরণা কেউ নেই। তবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের ভালো কোনো কাজকে আমি অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করি। প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা :আমার বাবা হলেন নাটকের পরিচালক। তাই ছোট থেকেই ক্যামেরা আমার কাছে অতি পরিচিত একটা জিনিস। আমার যখন দুই বছর বয়স তখন আমার প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো। সেই স্মৃতি মনে না থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে, অন্যদের যেমন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালে প্রথম দিকে ভয় ভয় লাগে আমার এরকম কখনই ছিল না। অভিনেত্রী না হলে যা হতেন :একেক সময় একেক কিছু হতাম বলে মনে হয়। তবে ইদানীং মনে হয় অভিনেত্রী না হলে কারো ঘরের লক্ষ্মী বউ হতাম। আয়নায় নিজেকে দেখে যা মনে হয় :নিজেকে অনেক আহ্লাদি মনে হয়। আর মনে হয় বাবা-মায়ের অনেক ভালো একটি মেয়ে সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সম্প্রতি দেখা চলচ্চিত্র :কুইন (হিন্দি), দ্য ট্যুরিস্ট (ইংরেজি) বারবার শোনা গান :সব ধরনের রবীন্দ্র সংগীত। আলাদাভাবে বলতে গেলে ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’। যে বইটি অনেকবার পড়েও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে :আমি বইয়ের পোকা। এখন লিটারেচার পড়ার কারণে অনেক সাহিত্য পড়তে হয়। আলাদা করে একটি বইয়ের কথা বলতে গেলে বলতে হয় আবুল বাশারের ‘মরু স্বর্গ’ বইটির কথা। ফার্স্টফুডে খেতে গেলে প্রথমেই যে অর্ডার দেন :লেমোনেট ড্রিংসটা অর্ডার দেওয়া হয়। তাছাড়া ফার্স্টফুডের কথা বলতে গেলে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বিভিন্ন অর্ডার দেওয়া হয়। তবে যদি রেস্টুরেন্টটিতে ‘পিত্জা’ থাকে তবে সেটিই অর্ডার দিই। আড্ডার সময় বিষয়গুলো :আড্ডার সময়ের বিষয়গুলো অনেক সিক্রেট (!)। মজার স্মৃতি :আমার কাছে জীবনের সব ঘটনাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি সময়কে আমি মজার সময়ে পরিণত করার চেষ্টা করি। তাই জীবনের প্রতিটি সময়ই আমার কাছে মজার।