সারাদিনই ব্যস্ত স্মার্টফোনে

আপডেট : ০২ মে ২০১৪, ১৯:১৪
তরুণদের বড় বেশি ব্যস্ততা থাকে নিজের হাতের স্মার্টফোনটি নিয়ে। প্রতিনিয়তই কোনো না কোনো কাজে আঙ্গুলগুলো ব্যস্ত থাকে স্মার্টফোনে। কখনও হিসেব করে দেখেছেন দিনে কতবার আপনি আপনার মোবাইল ফোন চেক করেন? সারাদিনই ইন্টারনেট, গেমস, কল ইত্যাদি তরুণদের ব্যস্ত রাখছে। যা অনেকাংশেই বদভ্যাসের মতোই। এমনই কিছু স্মার্টফোন-জনিত বদভ্যাস নিয়ে লিখেছেন নাজনীন শিমু সারাদিনই ফেসবুকিং :সামাজিক যোগাযোগের প্রতি আপনার আসক্তি থাকলে আর হাতে স্মার্টফোন থাকলে প্রতি মিনিটে ফেসবুক আপডেট চেক করতে আপনার কোনো বাধা নেই। কে আপনার ছবিতে লাইক দিল বা স্ট্যাটাসে কমেন্ট করল তা বারবার চেক করা আপনার অভ্যাসই হয়তো হয়ে গেছে। ছবি তোলা :বন্ধু বা পরিবারের সাথে বাইরে খেতে বসেছেন, জমজমাট আড্ডাও চলছে। খাবার আসতেই আড্ডা বা খাওয়া থেকে মনোযোগ সরিয়ে আপনি খাবারের সুন্দর ছবি তোলা শুরু করলেন। আর আপলোড করতে থাকলেন ইন্সটাগ্রাম বা ফেসবুকে। এই অভ্যাস হয়তো আপনার অজান্তেই সুন্দর সন্ধ্যাটাকে মাটি করে দিচ্ছে। সারাদিনই এসএমএস বিনিময় :হাঁটতে হাঁটতে চ্যাট বা এসএমএস বিনিময় একেবারে বাদ দিন। ভাবুন আপনি এমন আহামরি কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলছেন কি না যা গন্তব্যে পৌঁছে বা রাস্তা পার হয়ে করলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে? টেক্সট করতে করতে পথ চলায় বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে যেতে পারেন আপনি। কথার মাঝেই চ্যাটিং :সামনাসামনি বসে যিনি আপনার সাথে কথা বলছেন তিনি তো আপনার মনোযোগ চান। কিন্তু তখন যদি আপনি চ্যাটিংয়ে ব্যস্ত থাকেন তখন কেমন মনে হয়। এটা বাজে দেখায় আর বিরক্তিকরও। আপনি কথা বলার সময় কেউ যদি চ্যাটিং করতে থাকে আপনার কেমন লাগবে? গেমিং :স্মার্ট ফোনের এক নতুন উপদ্রব গেমিং। মজা হলেও এতে সময় যায় অনেক। ভেবে দেখুন তো আপনি ১০ বছর বয়সে ফিরে গেছেন কি না। গেমিংয়ের চাইতে জরুরি কোনো কাজ পড়ে আছে কি না। লোকেশন জানানোর আসক্তি :স্মার্টফোন ব্যবহার করে নিজে কোথায় আছেন তা জানান দেওয়া এবং বন্ধু ও পরিচিতদের লোকেশন জানাটা একটা জনপ্রিয় ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে ফোরস্কয়ার বাইরে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। আমাদের দেশে ততটা নয়। কিন্তু লোকেশন জানার নানা উপায় আছে। লোকেশন জানার বা জানাবার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি কিন্তু আপনাকে ছোঁকছোঁকে ব্যক্তিতে পরিণত করতে পারে।