প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
গ্রন্থনা : ইশরাত বিনতে আফতাব
দেখার মুভি
দ্য মেশিনিস্ট
ট্রেভর রেজনিক (ক্রিশ্চিয়ান বেল) একজন মেশিন অপারেটর। তার প্রধান সমস্যা হচ্ছে বিগত এক বছর ধরে ঘুমাতে পারছে না সে। ঘুমের অভাবে দিনকে দিন শুকিয়ে কাঠি হয়ে যাচ্ছে। অবস্থা এমনই ভয়াবহ যে নিজের শীর্ণতা নিয়ে চারপাশের মানুষ জনের নানা কিসিমের মন্তব্য তাকে প্রতিনিয়ত হজম করতে হচ্ছে। কেউ তাকে বলছে যে এভাবে যদি শুকাতে থাকে তাহলে নাকি সে স্রেফ বাতাসে উড়ে যাবে। কারও আবার মতামত যে তাকে হুবহু জিন্দা লাশের মতো দেখায়!! নানা আশ্চর্য ব্যাপার ঘটছে তার আশপাশে। মাঝে মাঝেই ইভান নামের এক অপরিচিত ব্যক্তির সাথে তার দেখা হয়। কিন্তু অবাক ব্যাপার হচ্ছে ইভান নিজেকে ওই কারখানার একজন কর্মী দাবি করলেও একমাত্র রেজনিক ছাড়া আর কেউ ইভানকে চেনে না। রেজনিকের সাথে ইভানের সাথে প্রথম সাক্ষাতের পরই রেজনিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় জড়িয়ে যায়। তার অসচেতন ভুলে মেশিন চালু হয়ে হাত কাটা পড়ে তারই এক সহকর্মীর। এরপরেই ইভান খুঁজতে শুরু করে রেজনিককে কিন্তু কোনভাবেই তার নাগাল পায় না, আর পেলেও সমস্যার সমাধান না হয়ে আরও জটিলতর হয়ে ওঠে।
সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের একটি মুভি দেখতে পারেন আপনার
মুড চেঞ্জ করার জন্য।
এছাড়া আরও দেখতে পারেন
দ্য আদার ওমেন
ব্রিক ম্যানশনস
ট্রান্সেনডেন্স
দ্য কোয়াইট ওয়ান্স
পড়ার বই
থ্রি মিস্টেকস অব মাই লাইফ
কাহিনী মূলত তিন যুবক আর এক ছোট ছেলেকে নিয়ে আবর্তিত। গোবিন্দ—এ বইয়ের নায়ক। নাস্তিক, স্বার্থান্বেষী এবং ব্যবসায়িক বুদ্ধি প্রবল। অঙ্কে মাথা ভালো, তাই এলাকার সব বাবা-মাই চায় তাদের বাচ্চার জন্য গোবিন্দকে টিউটর হিসেবে পেতে। ছোট বয়সে বাবা তাদের ছেড়ে চলে যায়। গোবিন্দের মা একটা খাবারের দোকান চালায়। ব্যবসার চিন্তায় আর মাকে ছেড়ে থাকতে হবে—এই ভয়ে সে আইআইটিতে ভর্তি পরীক্ষা দেয়নি।
বলা যায় ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে ভারতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কাহিনী হিসেবে এসেছে। এই বইটি ২০০৮ সালে বের হয়। এ পর্যন্ত চল্লিশ লাখেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। এই বইটিই চেতনের ‘বেস্ট সেলিং’ বই। অবসর কাটানোর জন্য আর জীবনের কিছু দিক খুব ভালোভাবে জানার জন্য এই বইটি নিঃসন্দেহে কাজে দেবে। সুতরাং পড়ে ফেলুন ঝটপট!
আরও কিছু বই
দ্য কালেক্টরস
দ্য গোল্ডফিঞ্চ
দ্য স্পেস বিটুইন
হেভেন ইজ ফর রিয়েল
শোনার গান
রেজোলিউশন
১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় গঠিত একটি হেভি মেটাল ব্যান্ড ল্যাম্ব অব গড। ল্যাম্ব অব গডে আছেন ভোকালিস্ট র্যান্ডি ব্লাইথ, গিটারিস্ট মার্ক মরটন ও উইলি আডলার, বেজিস্ট জন ক্যাম্পবেল ও ড্রামার ক্রিস আডলার। এই ব্যান্ডটিকে আমেরিকান হেভি মেটালের নতুন স্রোত হিসেবে বিবেচনা করা যায়। ল্যাম্ব অব গড গঠনের পর এ পর্যন্ত তারা ৬টি স্টুডিও অ্যালবাম, ১টি লাইভ অ্যালবাম ও ৩টি ডিভিডি প্রকাশ করে। আমেরিকায় তাদের মোট ২ মিলিয়ন কপি অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে। ২০০৬ সালে ব্যান্ডটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পায় তাদের অ্যালবাম ‘স্যাক্রামেন্ট’-এর জন্য। তাদের সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যালবাম ‘রেজোলিউশন’। প্রকাশের পরপরই প্রায় ৫২০০০ কপি বিক্রি হয় হয় এবং হিট অ্যালবামের তালিকায় নাম লেখায়। মেটাল গান পছন্দ করে থাকলে এই ব্যান্ডের গান আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে।
আরও কিছু শোনার গান
কস্টিক লাভ
লাভ ইন দ্য ফিউচার
মিট দ্য ভ্যাম্পস
