প্রজন্মের পরামর্শ

আপডেট : ০৪ মে ২০১৪, ২০:২৩
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং টেক্সটাইল সেক্টরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি অত্যন্ত ভালো পেশা হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। এই পেশার নানা বিষয়ে পরামর্শ দিলেন আনলিমা ইর্য়ান ডাইং লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার সুমায়েল মুহাম্মদ মল্লিক বর্তমানে টেক্সটাইল সেক্টরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মেধা শ্রমকে ব্যাপকভাবে মূল্যায়ন করা হয়। নতুন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে প্রথমেই বৈরী পরিবেশের মুখোমুখি হতে হয় না। সাজানো পরিবেশে কোনো চ্যালেঞ্জ ছাড়াই তাদের চাকরি জীবনের শুরু হয়। নতুনরা মেধাবী ও কাজের প্রতি শৃঙ্খলাবোধ থাকায়, তাদের কাজে সফলতা আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিল্প হলো তৈরি পোশাক খাত। বিশ্ব বাজারে প্রকৌশল বিদ্যার কাতারে বস্ত্র প্রকৌশল বিদ্যা এখন একটি উজ্জ্বল নাম। তাই তিনি মেধাবীদেরকে এই পেশায় আসার পরামর্শ দেন। তবে তিনি মনে করেন, বিকাশমান বস্ত্র শিল্পের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে আরও চৌকস হতে হবে। লিড টাইম কমানো, উত্পাদন ব্যয় কমানো, উত্পাদনের গুণগত মানকে গ্রহণযোগ্য করা, যুত্সই প্রযুক্তির দক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করা, শ্রম ব্যবস্থাপনায় আধুনিক বিজ্ঞানের ব্যবহার, বাজার ব্যবস্থাপনায় সাফল্য লাভ করা ইত্যাদি বিষয়ে নতুন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা রাখা সময়ের দাবি। তরুণদের উদ্দ্যেশ্যে তিনি বললেন, ‘সততা, মেধা ও দক্ষতা—এই তিনের সম্বনয়ে সফলতা আসবেই। তাই সফল হওয়ার জন্য এই তিনের সমন্বয়ের চেষ্টা কর।’ ০০০ জনসংযোগ জনসংযোগ বিভাগে যোগাযোগ করে প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হন সবাই। এই পেশার নানা বিষয়ে পরামর্শ দিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের জনসংযোগ কর্মকর্তা কেএম জিয়াউল হক জনসংযোগ বিভাগের চাহিদা দিনে দিনে বাড়ছে। জনসংযোগ সম্পর্কিত বিষয়টি প্রধানত স্নাতক-স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গণযোগাযোগ-সাংবাদিকতা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। দেশে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ-সাংবাদিকতা বিভাগ চালু আছে এবং এ বিষয়ে বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ট্রেনিংও দিয়ে থাকে। আর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতা বিশেষ করে সাংবাদিকতা করার অভিজ্ঞতা প্লাস পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। সেই সাথে মিশুক এবং বিশ্লেষণী দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করার জন্য তরুণদের পরামর্শ দিলেন তিনি। প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার পাশাপাশি প্রয়োজন হলো একাগ্রতা। পেশাটিকে নিজের মধ্যে আত্মস্থ করে নিতে পারা অত্যন্ত জরুরি। জনসংযোগ পেশায় শুধু নিজের প্রতিষ্ঠান নয়, বরং পারিপার্শ্বিক সবকিছু নিয়ে আপ-টুডেট থাকতে হয়। বর্তমান তরুণ প্রজন্মের চাহিদার সাথে এই পেশার মিল অনেক বেশি। প্রতিষ্ঠানের সকল বিভাগ এবং প্রতিষ্ঠানের বাইরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করার সুযোগ থাকে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানার অনেক সুযোগ রয়েছে। বেশি বেশি বই পড়া, নিয়মিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য গ্রহণ ও বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে এই পেশায় ভালো করা যায় বলে জানালেন এই দেশের অন্যতম সেরা প্রাণ গ্রুপের এই জনসংযোগ কর্মকর্তা।