বাল্য বিবাহ সংস্কৃতি বন্ধে জাতীয় ফোরাম

আপডেট : ০৪ মে ২০১৪, ২১:৫৯
বাল্যবিবাহ সংস্কৃতি বন্ধে জাতীয় ফোরামের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি। গতকাল নগরীর একটি হোটেলে মহিলা ও শিশু বিষয়ক অতিরিক্ত সচিব আই.ই.ম. গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফের কমিউনিকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট প্রধান রাফায়লে অব্রেজন, ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রতিনিধি প্যাসকেল ভেলেনভ, ইউএন উইমেন-এর বাংলাদেশের ডাইরেক্টর ক্রিসটিনা হান্টার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশু বিবাহ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। ভবিষ্যতে চাইল্ড বাজেটিং-এর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। রাফায়েল বলেন, দারিদ্র্য শিশু বিবাহের অন্যতম কারণ হলেও যথাযথ কমিউনিকেশনের অভাব এবং তথ্য আদান-প্রদানে ব্যর্থতাই বাল্যবিবাহের মূল কারণ। প্যাসকেল ভেলেনভ বলেন, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা খুবই জরুরি। ক্রিসটিনা হান্টার বলেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে অনেকাংশেই সফল হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিবকে সভাপতি এবং একই মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিবকে (উন্নয়ন) সদস্য সচিব করে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই জাতীয় ফোরাম গঠন করা হয়েছে। এই ফোরামের কাজ হবে শিশু অধিকার ও বাল্যবিবাহ সংক্রান্ত চলমান আইন, নীতিসমূহের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা, ফোরামের আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নীতি-নির্ধারক এবং বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সাথে ডায়ালগ করা। যে সমস্ত সংস্থা শিশু অধিকার, শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ নিয়ে কাজ করে তাদের সাথে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা, ফোরামের সদস্যদের বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা এবং এই বিষয়ে ব্যাপক ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা করা।