প্রথমে ১৮২ উপজেলায় ভোটার লিস্ট হালনাগাদ

আপডেট : ০৪ মে ২০১৪, ২৩:১১
প্রথম ধাপে ১৮২ উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ১৫ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত এ হালনাগাদ চলবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৫ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত ২১৯ উপজেলায় এবং শেষ ধাপে ১ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১৩ উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। গতকাল রবিবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। কমিশন সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, এবারের হালনাগাদে ভোটার বাড়ার সম্ভাব্য হার ৫ শতাংশ (৪৬ লাখ)। ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ হবে, তাদের ভোটার করা হবে। প্রতিবারের মতো এবারও তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। তবে নিবন্ধন ও ছবি তোলার জন্য ভোটারদের তথ্যকেন্দ্রে যেতে হবে। এবার সারাদেশে মোট ৫ হাজার ৪০০টি তথ্যকেন্দ্র থাকবে। প্রতিটি ইউনিয়ন, সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় একটি করে তথ্যকেন্দ্র থাকবে। তবে আয়তনভেদে পৌরসভায় তথ্যকেন্দ্রের সংখ্যা এক থেকে দুটি হবে। ভোটারের তথ্যসংগ্রহের জন্য ৪৮ হাজার ৩০০ জন তথ্যসংগ্রহকারী এবং ৯ হাজার ৬৬০ জন সুপারভাইজার থাকবেন। প্রথম ধাপের নিবন্ধন কাজ শেষ হবে ১৫ জুলাই, দ্বিতীয় ধাপের ১৫ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের নিবন্ধন শেষ হবে ১৫ নভেম্বর। প্রথম ধাপের ১৮২ উপজেলা রংপুর অঞ্চল: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও তেতুলিয়া, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ ও হরিপুর, দিনাজপুরের সদর, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর ও নবাবগঞ্জ, নীলফামারীর ডিমলা, সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম ও হাতিবান্ধা, রংপুরের তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর, কুড়িগ্রামের সদর, রৌমারী ও রাজিবপুর এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, ফুলছড়ি ও পলাশবাড়ী। রাজশাহী অঞ্চল: জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল ও পাঁচবিবি, বগুড়ার সদর, ধুনট ও নন্দীগ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ, নওগাঁর বদলগাছি, ধামইরহাট, মান্দা ও আত্রাই, রাজশাহীর বাগমারা, দূর্গাপুর, পুটিয়া ও চারঘাট, নাটোরের লালপুর, বাগাতিপাড়া ও গুরুদাসপুর, সিরাজগঞ্জের সদর, চৌহালী ও কামারখন্দ এবং পাবনার সদর, ঈশ্বরদী ও আটঘড়িয়া। খুলনা অঞ্চল: মেহেরপুরের গাংনী, কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকশা, চুয়াডাঙ্গার সদর ও আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহের সদর, হরিণাকুণ্ডু ও কালীগঞ্জ, যশোরের অভয়নগর, শার্শা ও বাঘারপাড়া, মাগুরার সদর ও মোহাম্মদপুর, নড়াইলের কালিয়া, বাগেরহাটের সদর ও কচুয়া, খুলনার কয়রা, তেরখাদা, রূপসা ও ফুলতলা এবং সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া ও দেবহাটা। বরিশাল অঞ্চল: বরগুনার সদর. বামনা ও বেতাগী, পটুয়াখালীর সদর, দশমিনা ও কলাপাড়া, ভোলার মনপুরা, বোরহাটনউদ্দিন ও দৌলতখান, বরিশালের আগৈলঝড়া, বাবুগঞ্জ ও গৌরনদী, ঝালকাঠির কাঠালিয়া, নলছিটি ও রাজাপুর এবং পিরোজপুরের সদর, নাজিরপুর ও কাউখালী। ফরিদপুর অঞ্চল: গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া ও কোটালীপাড়া, মাদারীপুরের শিবচর ও রাজৈর, শরিয়তপুরের সদর, ডামুড্যা ও ভেদরগঞ্জ, ফরিদপুরের মধুখালী, সদরপুর ও ভাঙ্গা এবং রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও কালুখালী। ঢাকা অঞ্চল: মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, শিবালয় ও ঘিওর, মুন্সীগঞ্জের সদর, গজারিয়া ও লৌহজং, নরসিংদীর সদর, পলাশ ও রায়পুরা, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার, ঢাকার দোহার, ধামরাই ও নবাবগঞ্জ এবং গাজীপুরের কাপাসিয়া ও কালিগঞ্জ। ময়মনসিংহ অঞ্চল: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, দেলদুয়ার, নাগরপুর ও বাসাইল, জামালপুরের সরিষাবাড়ী, ইসলামপুর ও মেলান্দহ, শেরপুরের সদর ও ঝিনাইগাতী, ময়মনসিংহের ভালুকা, ত্রিশাল, গফরগাঁও ও ফুলবাড়ীয়া, নেত্রকোনার কলমাকান্দা, দূর্গাপুর ও পূর্বধলা এবং কিশোরগঞ্জের নিকলী, অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন। সিলেট অঞ্চল: সুনামগঞ্জের সদর, দোয়ারাবাজার ও বিশ্বম্ভরপুর, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ এবং হবিগঞ্জের সদর ও মাধবপুর। কুমিল্লা অঞ্চল: ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সদর ও আখাউড়া, কুমিল্লার হোমনা, মেঘনা, তিতাস, লাকসাম ও মুরাদনগর, চাঁদপুরের সদর, কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ, ফেনীর সদর, ফুলগাজী ও সোনাগাজী, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, কোম্পানিগঞ্জ ও কবিরহাট এবং লক্ষ্মীপুরের সদর ও রামগঞ্জ। চট্টগ্রাম অঞ্চল: চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, কোতয়ালী, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, পটিয়া ও মিরসরাই, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও টেকনাফ, খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি ও মহালছড়ি, রাঙামাটির কাউখালী, রাজস্থলী ও বরকল এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, রোয়াংছড়ি ও রুমা।