ঢালাওভাবে বিশেষজ্ঞগণ মাছের তেল হার্টের জন্য ভালো ইত্যাদি ইত্যাদি নানা কথা বলে থাকেন। আসলেই কি তাই। গবেষকগণ বলছেন, মাছের তেলে বা ফিস অয়েলে ভালো চর্বি ও মন্দ দুই ধরনের চর্বিই রয়েছে। মাছের তেল যেমন: পাঙ্গাস, ইলিশে বেশির ভাগই ব্যাড ফ্যাট বা খারাপ চর্বি রয়েছে। আর মাছের চর্বি নিয়ে মতামত দিয়েছেন, সিঙ্গাপুর জেনারেল হসপিটালের সিনিয়র কন্সালট্যান্ট ড: শংকর পাচুপতি। এই বিশেষজ্ঞের মতে, যে কোন মাছের মাত্র ৩০ ভাগ ফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর। এই উপকারী ফ্যাটকে ওমেগা-৩ নামেও অভিহিত করা হয়। আর অবশিষ্ট ৭০ ভাগ ফ্যাট হচ্ছে মিশ্র চর্বি ও খারাপ চর্বি যা থেকে হূদ সমস্যা ও রক্তের কোলেস্টেরল বাড়তে পারে। আর এসব ফ্যাটের কোন ধরনের স্বাস্থ্যকর বেনিফিট নেই। কেবলমাত্র হাই ক্যালরি গ্রহণ ছাড়া।
এ ব্যাপারে ড: পাচুপতি উল্লেখ করেছেন, টুনা ফিসে ২৩ ভাগ রয়েছে ভালো ফ্যাট এবং শতকরা ৩৩ ভাগ রয়েছে ব্যাড ফ্যাট। একই ভাবে সালমন ফিসে রয়েছে ২৭ ভাগ ভাল ফ্যাট এবং ১৬ ভাগ ব্যাড ফ্যাট। এছাড়া অন্যান্য গবেষণায় দেখা গেছে পাঙ্গাসের পেটি ও ইলিশের পেটিতে রয়েছে শতকরা ৭৫-৮০ ভাগ খারাপ ফ্যাট। খারাপ চর্বি বা লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন রক্তে বেশি থাকলে হূদরোগ ও অন্যান্য সমস্যার ঝুঁকি থাকে। তাই যাদের হার্টের সমস্যা আছে, রক্তে রয়েছে উচ্চ কোলেস্টেরল তাদের কোনভাবেই অধিক চর্বিযুক্ত মাছ কম আহার করা উচিত।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
