চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক চার লেন হচ্ছে

আপডেট : ০৫ মে ২০১৪, ২৩:০০
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে যান চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে। পর্যটন নগরীর সাথে সংযুক্ত দ্বিমুখী এই সড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে ২৪ ফুট প্রস্থ থাকার কথা থাকলেও সড়কের কোথাও ১৮ থেকে ২০ ফুটের বেশি প্রস্থ নেই। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পৌঁছতে আড়াই থেকে ৩ ঘন্টার পরিবর্তে ৪/৫ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। তবে সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও টেকনাফ সড়কটি চার লাইনে উন্নীতকরণের জন্য সড়ক বিভাগ একটি সমীক্ষা করেছে। জাইকার অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। সড়ক বিভাগ জানায়, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার সড়কের দূরত্ব ১৫৫ কিলোমিটার এবং কক্সবাজার থেকে টেকনাফের দূরত্ব ৭৯ কিলোমিটার। জাতীয় মান অনুুসারে সড়ক ২৪ ফুট প্রশস্ত থাকার কথা। কিন্তু অবৈধ দখলদার ও ভাসমান বাজার সড়কের বেশির ভাগ অংশ দখলে নিয়েছে। সড়কের উপর অসংখ্য ছোট-বড় বাজার, গাড়ী রাখার স্ট্যান্ড, দোকান-পাট নির্মাণ, আঁকা-বাকা বাক ও মেয়াদোত্তীর্ণ সেতু ও কালভার্টের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। সৃষ্ট হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। এতে এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ফলে সড়কটি সমপ্রসারণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নুর-ই আলম ও দোহাজারী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানান, সড়কটি সমপ্রসারণের জন্য ‘সাব রিজোনাল হাইওয়ে প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। চার লাইনে উন্নীত করতে ইতিমধ্যে সমীক্ষা পরিচালনা করে সারসংক্ষেপ তৈরি করা হয়েছে। তবে কার্যক্রম এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে বলে তারা জানান। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কটি দোহাজারী ও কক্সবাজার সড়ক বিভাগের আওতাধীন। এদিকে পরিবহন মালিকরাও সড়কটি সমপ্রসারণের দাবি তুলেছেন। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল বাবুল ইত্তেফাককে বলেন, ‘সড়কটি কয়েক যুগ আগে নির্মিত। যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। প্রতিদিন অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই সড়কটি চার লাইনে উন্নীত করা আশু প্রয়োজন।’