গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে মো. মিল্টন হাওলাদার (২৬) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রায়ে আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদানেরও নির্দেশ দিয়েছেন। চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. জাকির হোসেন এ রায় দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মোবাইলে কথোপকথনের সূত্র ধরে ২০১২ সালের ২৮ আগস্ট নগরীর বন্দর থানার নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজের সামনে থেকে ওই কলেজের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায় মিল্টন। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে তার বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ এনে সে দিনই একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন ওই ছাত্রীর মা। পুলিশ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিল্টনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। ২০১৩ সালের ৮ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। মোট ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন।
শিশুপাচারের দায়ে মহিলার যাবজীবন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি কমলা বেগমকে গত মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচারক মোঃ জাকির হোসেন যাবজীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। আসামি পলাতক রয়েছে। কুমিল্লার হোমনা থানার কারসিনা গ্রামের মৃত আক্কেল আলীর কন্যা কমলা বেগম বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আবু (ফারুক) ও বাবু (আলামিন) কে ১৯৯৭ সালে তাদের পিতা মাতার কাছ থেকে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ভারতে পাচার করে। ২০০০ সালের ১৭ জানুয়ারি ভারতীয় পুলিশ আবু ও বাবুকে উদ্ধার করে। পরে বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে ফিরেয়ে আনে। এ ব্যাপারে মমিনুল ইসলাম সুরুজ বাদী হয়ে বাঞ্ছারাপুর থানায় মামলা দায়ের করে
