টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় গত তিনদিনে আট শতাধিক বাসা-বাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান শুরু করেছে। ভুয়া ঠিকাদারগণ অবৈধ গ্যাস লাইন বৈধ করার ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কয়েক কোটি ‘গ্রাহক’ টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন পলাতক রয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছে সহস্রাধিক ‘গ্রাহক’। বুধবার মির্জাপুর উপজেলার পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানি, বাইমহাটি, পালপাড়া, গার্লস স্কুলপাড়া ও প্রফেসর পাড়ায় অভিযান চালিয়ে মোবাইল টিম দুই শতাধিক বাসাবাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে দেখা গেছে। এর আগে উপজেলার শুভুল্লা, গোড়াইল ও বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান চালায়। টাঙ্গাইল জেলা তিতাস গ্যাস জোনাল অফিসের কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং শতাধিক পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত মোবাইল টিম অভিযান শুরু করেছে।
টাঙ্গাইল জেলা তিতাস গ্যাস জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপক মোঃ সুরুজ আলম অভিযোগ করেন, একটি প্রভাবশালী মহল তিতাস গ্যাস অফিসের কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে গত কয়েক মাস ধরে মির্জাপুরে বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের ৪৫শ টাকার গ্যাস চোরাইপথে সংযোগ হচ্ছে ৯০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকায়।মির্জাপুরে এই চক্রটি প্রায় দেড় হাজার বাসা-বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই চক্রের সদস্য সংখ্যা ১৫/২০ জন। মঙ্গলবার থেকে তিতাস গ্যাস টাঙ্গাইল জোনাল অফিস অবৈধ গ্যাস বিচ্ছিন্নকরণের জন্য অভিযানে নামে। অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।
