প্রমাণ পেলে ৩ র্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেফতার

আপডেট : ০৮ মে ২০১৪, ২৩:১৫
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে র্যাবের চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লিখিত সাতজনকে অপহরণের দু’দিন পর গত ৩০ এপ্রিল র্যাব-১১-এর এই তিন কর্মকর্তা লেঃ কর্নেল তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ হোসেন ও নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এমএম রানাকে নিজ নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গত মঙ্গলবার তাদেরকে অবসরে পাঠানো হয়। সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কারণেই তাদেরকে র্যাব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে তারা চাকরিও হারিয়েছেন। র্যাবের ঐ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে, তাদের বিচার কোন প্রক্রিয়ায় হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু তারা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, এ কারণেই আপনারা এই বিষয়টি জানতে চাচ্ছেন, আমি তা বুঝেছি। তবে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই বলা যাবে তাদের বিচার কোন আইনে হবে। আগে তো তদন্ত শেষ হোক। মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের অবস্থান সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার আগের অবস্থান থেকে গতকাল সরে এসেছেন। এর আগে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, নূর হোসেন দেশে আছেন। তবে গতকাল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, নূর হোসেন দেশে না বিদেশে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাত খুন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ অবস্থায় দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের চাপে রয়েছেন কি-না - সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি কোনো চাপ অনুভব করছি না। আমাদের দিক থেকে সব কিছু পরিষ্কার। এ ঘটনায় কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সেই ধরনের নির্দেশনাই রয়েছে বলে তিনি জানান।