তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ০৯ মে ২০১৪, ১৯:৩৮
গ্রন্থনা : ইশরাত বিনতে আফতাব  প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ দে খা র মু ভি ক্যাপ্টেন আমেরিকা:দ্য উইন্টার সোলজার স্টিভেন রজার্সের ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা :দ্য উইন্টার সোলজার’ মাত্র ২০ দিনে ৪৬৭.৭ মিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করেছে। ছবিটিতে পরিচালক পুরোনো দিনের যুদ্ধকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া পুরোনো দিনের অস্ত্র আধুনিক যুগে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তাও দেখানো হয়েছে। অ্যান্থনি এবং জো রুশোর পরিচালনায় এ সিনেমাতে অভিনয় করেছেন ক্রিস ইভান্স, স্কারলেট জোহানসন, সেবাস্টেইন স্ট্যান, অ্যান্থনি ম্যাকি, ফ্র্যাঙ্ক গ্রিলাসহ আরও অনেকে। মার্ভেল কমিকসের বই ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৪১ সালে। বইটির তুমুল জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা :দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ মুক্তি পায় ২০১১ সালে। ১৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত মার্ভেলস ফিল্মসের এ চলচ্চিত্র ৩৬৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে। এ সফলতার পরই মার্ভেল স্টুডিও ঘোষণা দেয় এর সিক্যুয়েল নির্মাণের। একই ছবিতে সুপারম্যান এবং ব্যাটম্যানের অভিনয় দেখার জন্য এতদিন উদগ্রীব হয়ে ছিল বিশ্ববাসী। এবার সেই লড়াই আরও জমিয়ে দিতে হাজির হচ্ছে ক্যাপ্টেন আমেরিকা। আরও যা দেখতে পারেন  আবারও বঙ্কিম  ব্লু বেরি  আশ্চর্য প্রদিপ  চাঁদের পাহাড় ০০ত্ প ড়া র ব ই পথের পাঁচালী ‘পথের পাঁচালী’—বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর ছোট্ট একটি তালিকা করলে নিঃসন্দেহে শুরুর দিকেই থাকবে এ নামটি। কালজয়ী ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের অমরকীর্তি এ উপন্যাসটি অনূবাদিত হয়েছে তেলেগু, সিংহলিজ ও মালায়াম ভাষাতেও। উপন্যাসের মূল চরিত্র অপু অতি দরিদ্র এক ব্রাহ্মণ পরিবারের ছেলে। দিদি দুর্গার সাথে নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের পথেঘাটে, সোনাডাঙ্গার মাঠে, বাঁশবাগানে খেলা করে শৈশব কাটে অপুর। চঞ্চল মেয়ে দুর্গা অন্যের গাছের ফল চুরি করে, খেলার সাথির পুতুল চুরি করে। ঘটনাক্রমে পরিবারটি নিশ্চিন্দিপুর ছেড়ে চলে আসে কাশীতে। অপুর বয়স তখন সাত বছর। সর্বজয়া কাজ করে অন্যের বাড়িতে। বিধাতার কাছে আকুল আবেদন করে যেন নিশ্চিন্দিপুর ফিরে যাওয়া হয়। অপুর সে মিনতি পাঠককে না কাঁদিয়ে ছাড়বে না। অপু কি ফিরে যেতে পেরেছিল বনে ঘেরা বাড়ির সেই উঠোনটিতে, সোনাডাঙ্গার মাঠটিতে অথবা শৈশবে খেলা করার সেই বাঁশবাগানটিতে? নাকি সেসবের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ হয়ে গিয়েছিল চিরকালের জন্য? আরও কিছু পড়তে পারেন  অরণ্যের অধিকার  বোমকেশ  নভোচারী টম সয়্যর  দি টেল অব টু সিটিস ০০ শো না র গা ন অ্যাডেল টানা ১০ সপ্তাহ বিলবোর্ড মিউজিক টপচার্টে প্রথম স্থানটি দখল করে রেখে রেকর্ড গড়েছেন ব্রিটেনের কান্ট্রি মিউজিক তারকা অ্যাডেল। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘২১’ দিয়ে বাজিমাত করেছেন তিনি ২০১১ সালে। শুধু মার্কিন মুলুকেই এখন পর্যন্ত অ্যালবামের ১.৭ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। অ্যালবামের ‘রোলিং ইন দ্য ডিপ’ গানটি এখনও অনেকের পছন্দ। অ্যাডেল হালের সেনসেশন লেডি গাগার ‘বর্ন দিস ওয়ে’কে পেছনে ফেলে সেরা একক অ্যালবামের এক নম্বর স্থানটিও দখল করেছেন। তাই এখন কান্ট্রি মিউজিকের নতুন এই সম্রাজ্ঞী দখল করে রেখেছেন অসংখ্য ভক্তের মন। কান্ট্রি মিউজিকের ভক্ত হলে এখনই শুনে ফেলুন তার অ্যালবামের সবগুলো গান। আরও কিছু শোনার গান  জাস্ট গিভ মি অ্যা রিজন :পিংক ফিচারিং নেট রুজ  গেট লাকি :ডাফ্ট পাঙ্ক ফিচারিং ফেরেল উইলিয়ামস  ব্লারড লাইন্স :রবিন থিক ফিচারিং টি.আই. অ্যান্ড ফেরেল  কাম অ্যান্ড গেট ইট :সেলেনা গমেজ আ মা র স্ব প্ন পাঠকদের জন্য তরুণকণ্ঠ’র নতুন বিভাগ ‘আমার স্বপ্ন’। এই বিভাগে তরুণরা লিখে পাঠান মনের ভেতর লালিত ইতিবাচক স্বপ্নের কথা। লেখা হতে হবে ১০০ শব্দের ভেতর। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা :বিভাগীয় সম্পাদক, তরুণকণ্ঠ, দৈনিক ইত্তেফাক, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫। ই-মেইল :[email protected] গণিত শিক্ষক স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। প্রতিটি মানুষ তার মনের মাঝে স্বপ্নকে লালন করে, আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখেছি নিজেকে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত করার। এখন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমি গণিতে অনার্স করছি। নিজে ভালোভাবে গণিত জানতে চাই, জানাতে চাই। বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের গুরুত্ব অপরিসীম। আর বিজ্ঞান চর্চার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গণিত। আমাদের দেশে দক্ষ গণিত শিক্ষকের বড়ই অভাব। আর অধিকাংশ শিক্ষার্থীই না জেনে, না বুঝে পরীক্ষা পাসের জন্য গণিত শেখে। কিন্তু গণিত মুখস্থ করার কোনো বিষয় নয়। এটা জানা ও বোঝার বিষয়। আমি নিজেকে দক্ষ শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ গণিত শেখাতে চাই। আমার স্বপ্ন গণিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়া, গণিতের আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করা, সবার মাঝে গণিতকে ছড়িয়ে দেওয়া। গণিত হোক আমাদের নিত্য সাধনার সঙ্গী। মো. নাজমুল হক অনার্স তৃতীয় বর্ষ, গণিত বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় লেদার ইঞ্জিনিয়ার প্রত্যেক শিশু নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে বড় হয়। সে এই পৃথিবীটাকে নিজের মতো সাজাতে চায়। তা-ই সে স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সে সচেষ্ট থাকে। আমি একজন লেদার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। চামড়া শিল্পে বাংলাদেশের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবছর চামড়াজাত পণ্য ও চামড়া রফতানি করে এদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই বিশাল কাজের ক্ষেত্রটি সম্পর্কে অনেকেই জানে না। আমরা চামড়াজাত পণ্য প্রতিনিয়ত ব্যবহার করি। কিন্তু এই চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে গিয়ে প্রচুর বর্জ্য পদার্থ পরিবেশে মিশছে। ফলে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ, বাড়ছে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ। আমি পরিবেশবান্ধব চামড়া প্রক্রিয়াজাত পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করতে চাই। কারণ এতে দেশের চামড়া শিল্পের যেমন উন্নতি হবে, তেমনি মানুষ এখানে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। আলী আহমদ ১ম বর্ষ, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়