নাটক, সিনেমা, টেলিফিল্ম, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ধারণ করা ভিডিও অথবা মিউজিক ভিডিও, যা-ই দেখি না কেন, সবই ধারণ করা হয় অনেক বড় আকারে। কিন্তু দেখানো হয় শুধু প্রয়োজনীয় অংশটুকু। অপ্রয়োজনীয় অথবা তুলনামূলক কম ভালো অংশ ফেলে দিয়েই তৈরি হয় একটি ভালো ভিডিও ফুটেজ। ভিডিও ধারণের পর পরিপাটি করে সাজিয়ে একটি দৃশ্যের পর আরেকটি দৃশ্য সাজিয়ে তবেই দর্শকের দেখার উপযোগী করে তোলা হয়। যেটাকে বলা হয় ভিডিও এডিটিং। আর এ কাজটি যারা করেন তারাই ভিডিও এডিটর। এবারের আয়োজনে থাকছে তেমনই কয়েকজন মেধাবী ভিডিও এডিটর গাঁও প্রোডাকশন্সের ফিল্ম এডিটর সামির আহমেদের আগামী দিনের স্বপ্ন ও তাদের প্রত্যাশার কথা।
ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন নিজের কাজের ক্ষেত্রটি হবে সিনেমা নিয়ে। বলছিলাম প্রজন্মের মেধাবী ফিল্ম এডিটর সামির আহমেদ সম্পর্কে। ছোটবেলায় তার সেই কমিটমেন্ট দেখে ইউনিভার্সিটি শেষ করার পর মায়ের আগ্রহে খোঁজ নিলেন সিনেমার উপর পড়াশোনা কোথায় করা যায়। শেষ পর্যন্ত খোঁজ পেলেন ভারতের পুনাতে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া, তারপর সেখানেই অ্যাপ্লাই করলেন। ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া থেকেই সামির এডিটিং পাস করেন। বর্তমানে তিনি এডিটিং এবং নির্দেশনার কাজও করেন। নিজের প্রোডাশন হাউজ গাঁও প্রোডাকশন শুরু করেন ২০০৪-এ। এ পেশা নিয়ে তার স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ নতুন নতুন টিভি চ্যানেল বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পেশায় জনবলের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম এই পেশার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশে ভিডিও এডিটরদের ভবিষ্যত্ অনেক ভালো। তবে নতুন যারা এই কাজের সাথে যুক্ত হচ্ছে তারা একটি কোর্স করেই ভালোভাবে কাজ না শিখেই এই পেশায় যোগ দিচ্ছে। মেধাবী ও সৃজনশীল ভিডিও এডিটরের সংখ্যা কম নয়। তারা যথেষ্ট সহযোগিতা করছেন ভালো অনুষ্ঠান নির্মাণের ক্ষেত্রে। ভিডিও এডিটরদের প্রডিউসারদের সেন্স বুঝে কাজ করতে পারাটা দরকার। ভিডিও এডিটর এবং প্রডিউসার যখন সম্মিলিতভাবে গুছিয়ে কাজ করবেন তখনই ভালো অনুষ্ঠান তৈরি হবে। ভালোভাবে কাজ শিখে এই পেশায় এলে খুবই ভালো করবে নতুনরা।’
